‘সেক্স টেপ’-এর পর মদ্যপানের ছবি, ফের বিতর্কে হার্দিক 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সেক্স টেপ’-এর পর এবার প্রকাশ্যে মদ্যপানের ছবি। ফের বিতর্কে পতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেল। ফের এক বিতর্কিত ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে হার্দিককে মদ্যপান করতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও গুজরাটের সংবাদমাধ্যমগুলিতে ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে শোরগোল।

জানা গিয়েছে, ভিডিওটি চলতি বছরের মে মাস নাগাদ তোলা। ওই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গুজরাট সফরের আগেই আন্দোলন শুরু করেন হার্দিক। পতিদার সম্প্রদায়ের জন্য সংরক্ষণ দাবিতে মাথা ন্যাড়া করে ১৫৫ কিলোমিটারের পদযাত্রা করেন হার্দিক ও তাঁর সমর্থকরা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করছেন পতিদার নেতা। যেহেতু গুজরাটে মদ নিষিদ্ধ তাই আইনভঙ্গ করেছেন হার্দিক বলে অভিযোগ।

[ভাইরাল হার্দিকের ‘সেক্স টেপ’, বিজেপির চক্রান্ত দেখছেন পতিদার নেতা]

গুজরাটে বিজেপি গড় ভাঙতে হার্দিক, জিগনেশ মেভানিদের উপরই আস্থা রাখছে কংগ্রেস। মোদির ‘উন্নয়ন’কে টেক্কা দিতে ‘সংরক্ষণ’কেই হাতিয়ার করে নিয়েছে সোনিয়া, রাহুলের দল। তবে পতিদার আন্দোলনের মুখ হার্দিকের ‘সেক্স টেপ’ প্রকাশ্যে আসায় কিছুটা ব্যাকফুটে তারা। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে বিজেপির ঘাড়েই দোষ চাপাচ্ছেন হার্দিক। তাঁর দাবি, রাজ্যে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে গেরুয়া শিবির। এদিকে পালটা তোপ দেগেছে বিজেপিও। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা মনসুখ মানডাবিভিয়া জানান, “বিজেপি নোংরা রাজনীতি করে না। ওই সেক্স টেপ যদি মিথ্যে হয় তাহলে পুলিশে যাচ্ছেন না কেন হার্দিক?”

২০১৫ সালেও হার্দিকের এরকম একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল। গুজরাট নির্বাচনের আগে সে বিষয়ে সাবধানী ছিলেন তরুণ নেতা। জানিয়েছিলেন, বিজেপি তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করেছে। এই বিতর্কে হার্দিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন তরুণ নেতা জিগনেশ মেভানি। তাঁর বক্তব্য, যৌনতা মৌলিক অধিকার। মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে অনধিকার প্রবেশের অধিকার কারও নেই। তবে সুর চড়ালেও একের পর এক বিতর্কিত ভিডিও সামনে আসায় গুজরাট বিধানসভা ভোটের আগে কিছুটা বিপাকে পতিদার নেতা।

[মুসলিম পুরুষরা কামুক, হিজাবে মহিলাদের শরীর ঢাকার পরামর্শ মৌলবির]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *