বাবরি কাণ্ডে আদবানীদের বিরুদ্ধে চলবে ষড়যন্ত্রের মামলা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাবরি মসজিস ধ্বংস মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেলেন লালকৃষ্ণ আদবানী, উমা ভারতী, মুরলী মনোহর যোশীরা। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, ২১ জন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা চলবে। তবে স্বস্তিতে কল্যাণ সিং। আদালত জানায়, যত দিন রাজস্থানের রাজ্যপালের পদে তিনি থাকবেন, তাঁর বিরুদ্ধে কোনও চার্জ গঠন করা যাবে না। পাশাপাশি এও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, মামলা চলাকালীন কোনও বিচারপতিকে প্যানেল থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। চার সপ্তাহের মধ্যে রায়বরেলি থেকে লখনউ আদালতে মামলাটি স্থানান্তরিত করতে হবে বলে জানায় শীর্ষ আদালত।

বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলায় সুপ্রিম কোর্টে আদবানী, উমা ভারতীদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছিল সিবিআই। সিবিআই-এর সেই আবেদনে সম্মতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। এর আগে নিম্ন আদালত তাঁদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছিল। সেই মামলাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল সিবিআই। এদিন এই মামলায় শুনানি দ্রুত শেষ করার কথা বলেছে শীর্ষ আদালত। ইতিমধ্যেই আদবানীর নাম রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে উঠে এসেছিল। সব মিলিয়ে বড়সড় বিপাকে পড়ল বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

[একাধিক ভাস্কর্য গুঁড়িয়ে দিল ছাত্ররা, বিক্ষোভে উত্তাল রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়]

একইসঙ্গে আদবানীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট সব মামলাগুলি একত্রিত করে পুনরায় চার্জ গঠনের ইঙ্গিত দিয়েছিল সু্প্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এও জানিয়েছে, মামলার ট্রায়াল লখনউয়ের আদালতে হবে এবং প্রত্যেকদিন শুনানি করে দু’বছরের মধ্যে ট্রায়াল শেষ করতে হবে। আদালত জানিয়েছিল, এই ধরনের মামলার ক্ষেত্রে আদালতের উপর যে দায়িত্ব ন্যস্ত থাকে সেটাকে কাজে লাগিয়ে সুবিচার করতে হয়। যাতে কেউ আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যেতে না পারে। সিবিআই পক্ষের আইনজীবী শীর্ষ আদালতে জানান, লখনউ ট্রায়াল কোর্টে ১৯৫ জন সাক্ষীর বয়ান নেওয়া হয়ে গিয়েছে এই মামলায়। প্রায় ৩০০ জনের জবানবন্দি নেওয়া এখনও নেওয়া বাকি আছে। সিবিআইয়ের যুক্তি, টেকনিক্যাল কারণে আগে আদবানী-সহ অন্যান্যদের উপর ষড়যন্ত্রের মামলা রুজু করা হয়নি।

[‘আজানে প্রশ্ন, সোনু কি রাজ্যসভায় বিজেপি সাংসদ হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন?’]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *