স্ত্রীর পাঠানো ব্যথার ওষুধ খেয়ে দুবাইয়ের হাজতে স্বামী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুবাইয়ে থাকা স্বামীর ব্যথা কমাতে চেয়েছিলেন। এই জন্যই ওষুধ পাঠিয়েছিলেন। এই ওষুধই কাল হল দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা লক্ষ্মী মোতমের স্বামীর জীবনে। নিষিদ্ধ ওষুধটি সেবন ও কাছে রাখার জন্য ২৪ বছরের জেল হল ৩৫ বছরের যুবকের।

lakshmi-motam-husband-jailed-uae-reuters_650x400_71510635113

[রাম রহিম কি জেলে নেই? জল্পনা উসকে দিল জামিনে মুক্ত বন্দি]

অল্প সময়ে বেশি রোজগারের তাগিদে অনেকেই বিদেশে পাড়ি দেন। দক্ষিণ ভারতের গ্রামাঞ্চলে এই প্রবণতা অনেকটাই বেশি। লক্ষ্মীর স্বামীও বাড়তি উপার্জনের আশায় দুবাইয়ে গিয়েছিলেন এজেন্টের মাধ্যমে। সেখানে কুলির কাজ করতেন তিনি। সারা দিন পরিশ্রমের পর রাতে সারা শরীরে ব্যথা হত। স্ত্রীকে ফোনে জানিয়েছিলেন সে কথা। স্বামীর ব্যথা কমানোর জন্য ২০টি ট্রামাডোল ট্যাবলেট পাঠান তিনি। কিন্তু তাঁরা কেউই জানতেন না ২০১০ সালে ইউনাইটেড আরব এমিরেটসে (UAE) যে চারশোটি ওষুধ বাতিল করা হয়েছে তার মধ্যে একটি এই ট্রামাডোল। এটি ধীরে ধীরে মানুষের নেশায় পরিণত হয়। এই জন্যই ওষুধটি সে দেশে বাতিল করা হয়েছে। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে পরিমিত হারে এই ওষুধ সেবন করাই যায়।

[‘বস’কে মহিলা হোম গার্ডের ম্যাসাজ, ভাইরাল ভিডিওয় ছড়াল চাঞ্চল্য]

এতকিছু না জেনেই এতদিন ওষুধটি সেবন করছিলেন লক্ষ্মীর স্বামী। লক্ষ্ণীও আগে দুবার এই ওষুধ পাঠিয়েছেন স্বামীকে। কিন্তু তৃতীয়বার তা দুবাইয়ের শুল্ক দপ্তরের হাতে ধরা পড়ে যায়। গ্রেপ্তার করা হয় লক্ষ্মীর স্বামীকে। বেআইনিভাবে ওষুধ সেবন করার জন্য ২৪ বছরের জেল হয় তাঁর। স্বামীর গ্রেপ্তারির খবরে যেন মাথায় বাজ পড়েছে লক্ষ্মীর। কীভাবে স্বামী মুক্তি পাবেন? ভেবে কূল পাচ্ছেন না গৃহবধূ। স্থানীয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের কর্মী ও সমাজকর্মীদের কাছেও আরজি জানিয়েছেন দক্ষিণ ভারতের বাসিন্দা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কিছু সুরাহা হয়নি।

[পাকস্থলী ভরতি প্লাস্টিকে, কিশোরের পেটে অস্ত্রোপচারে তাজ্জব চিকিৎসকরা]

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *