ক্ষুধা মোকাবিলায় নেপাল, বাংলাদেশের থেকেও পিছিয়ে ভারত

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে বসা থেকে উন্নয়নের কথাই বলছেন নরেন্দ্র মোদি। দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে ও কালো টাকা উদ্ধারের লক্ষ্যে রাতারাতি নোট বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নিতেও পিছুপা হননি তিনি। দেখতে দেখতে মোদি জমানার তিন-তিনটে বছরও পেরিয়ে গেল। কিন্ত, বাস্তব পরিস্থিতিটা বদলাল কি?  ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষায় ক্ষুধা মোকাবিলায় ১১৯টি দেশের মধ্যে ১১০তম স্থান পেয়েছে ভারত। ভারতকে পিছনে ফেলে দিয়েছে নেপাল, মায়ানমার, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা। এগিয়ে চিনও।

[দ্রুত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি পাওয়া দেশের তকমা হারাচ্ছে ভারত, IMF-এর রিপোর্ট]

ক্ষুধা মোকাবিলায় বিশ্বের কোন দেশের কী অবস্থা, তা জানতে প্রতিবছর একটি সমীক্ষা চালায় ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট। গত বছর এই সমীক্ষায় ভারতের স্থান ছিল ৯৭। এবার সেই স্থান ধরে রাখা তো দুর অস্ত, বরং তিন ধাপ নেমে ১০০ তম স্থান পেল ভারত। প্রসঙ্গত, বিশ্বের ১১৯টি দেশের উপর এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, এদেশে ২১ শতাংশ শিশুই অপুষ্টিতে ভোগে। তাদের উচ্চতা ও ওজনও স্বাভাবিকের থেকে কম। এদেশে পুষ্টি সংক্রান্ত দুটি প্রকল্প চালু হয়েছে। কিন্তু, গত ২৫ বছরে সেই সুফল নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়নি। তাই ক্ষুধা মোকাবিলায় প্রশ্নে ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছে ভারত।

[দিল্লির কাছেই পাক পরমাণু ঘাঁটি, চরম উদ্বেগে প্রতিরক্ষামহল

ভারত তো ১০০ তম স্থানে। কিন্তু, পড়শি দেশগুলির অবস্থান কেমন?  সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, চিন তো বটেই, ক্ষুধা মোকাবিলায় ভারতকে পিছনে ফেলে দিয়েছে নেপাল, মায়ানমার, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার মতো সবকটি পড়শি দেশই। বস্তুত, ভারতের থেকে এগিয়ে যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইরাক ও উত্তর কোরিয়াও। ব্রিকস দেশগুলির মধ্যে সবার পিছনে রয়েছে ভারত। ভারতের সঙ্গে একই সারিতে রয়েছে দুটি দেশ ডিবুটি ও রোয়ান্ডা। দুটি দেশই আফ্রিকা মহাদেশের।

[OMG! প্রেমিকের সঙ্গে সঙ্গম LIVE ইনস্টাগ্রামে, তারপর…]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *