মৃত্যুরহস্যের কিনারা করুন, পুলিশকে চ্যালেঞ্জ আত্মঘাতী বালকের

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  শিমলায় দশ বছরের এক স্কুল পড়ুয়ার আত্মহত্যা ঘিরে রহস্য দানা বেঁধেছে৷ সুইসাইড নোটে পুলিশকে তার মৃত্যুরহস্যের কিনারা করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে গিয়েছে ওই বালক৷ আত্মহত্যার ধরন দেখে প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, সম্ভবত মারণ গেম ব্লু হোয়েলের খপ্পরে পড়েছিল সিমলার গুরুকুল পাবলিক স্কুলের পড়ুয়াটি৷

[জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ রোহিঙ্গারা, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল কেন্দ্র]

মঙ্গলবার বাড়িতে ওই বালককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের লোকজন৷ স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে, তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা৷ ঘটনাস্থল থেকে স্কুলের খাতায় লেখা একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ সুইসাইড নোটে আত্মঘাতী বালক লিখেছে, ‘ধাঁধার সমাধান করো৷’  সে আরও লিখেছে,‘ হাতের শিরা কেটে ফেলাটা কোনও শান্তি-ই নয়৷ আমি গলায় দড়ি দিয়ে নিজেকে শাস্তি দেব৷’  প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অনলাইন গেম ব্লু হোয়েলে গেমের খপ্পরে পড়েই আত্মঘাতী হয়েছে ওই বালক৷ তবে এ বিষয়ে নিশ্চিত নন তদন্তকারীরা৷ স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই বালকের মোবাইল ফোন বা বাড়িতে ইন্টারনেট সংযোগ ছিল না৷ তবে গত কয়েক দিন ধরে বাড়িতে কাঠের কাজ করছিলেন একজন ছুতোর মিস্ত্রি৷ তাঁর ফোনে গেম খেলত ওই বালক৷ ঘটনার তদন্তে বুধবার আত্মঘাতী বালকের বাড়িতে যান স্থানীয় থানায় অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইন্সপেক্টর চেত রাম৷

[সেনার গুলিতে অমরনাথ হামলার মূলচক্রী আবু ইসমাইল খতম]

এই ঘটনার একদিন আগে আত্মঘাতী বালক যে স্কুলের পড়ত, সেই গুরুকুল পাবলিক স্কুলে ব্লু হোয়েল গেম নিয়ে পড়ুয়াদের সচেতন করতে একটি শিবিবের আয়োজন করা হয়৷ স্কুলের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জ্ঞান সিং জানিয়েছেন, শিবিরে ওই বালক মোবাইলে গেম খেলার কথা জানায়নি৷ বস্তুত, শিবিরে প্রত্যেক পড়ুয়া হাত ও কবজিও পরীক্ষা করে দেখা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি৷

[নির্মম উপহাস, উত্তরপ্রদেশের কৃষকের ঋণ মকুব মাত্র ১০ টাকা!]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *