৩০ শ্রাবণ  ১৪২৫  বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮  |  ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিয়ের পরও ছেলে ও মেয়ের সমান অধিকার। চাকুরিরত অবস্থায় কোনও সরকারি কর্মীর মৃত্যু হলে, চাকরি পাবেন বিবাহিত মেয়েও। এমনই নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট।

[ফ্রেন্ডশিপ ক্লাবের নামে যুবককে প্রতারণা, পুলিশের জালে ২ তরুণী]

বর্তমানে, চাকুরিরত অবস্থায় কোনও সরকারি কর্মীর মৃত্যু হলে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ছেলেকে চাকরি দেয় সরকার। যদি অবিবাহিত হন, তাহলে মেয়েও বাবা-মায়ের চাকরি পান। কিন্তু, যদি কোনও সরকারি কর্মীর ছেলে না থাকে বা মেয়ে বিবাহিত হন, তাহলে চাকরিরত অবস্থায় মারা গেলেও, পরিবারের কাউকে চাকরি দেওয়া হত না। তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অবসরের পর যে সুযোগ-সুবিধা পেতেন, তা তাঁর স্বামী বা স্ত্রীকে দেওয়া হয়। দেওয়া হয় পেনশনও।

[সিবিআইয়ের ফাঁদে পিএফ অফিসার, ঘুষ নিতে গিয়ে গ্রেপ্তার]

বীরভূমের বাসিন্দা পূর্ণিমা দাসের বাবা রাজ্য সরকারি কর্মী ছিলেন। চাকরিরত অবস্থায় মারা যান তিনি। এরপরই চাকরি চেয়ে রাজ্য সরকারের কাছে আবেদন করেছিলেন পূর্ণিমা। কিন্তু, বিবাহিত হওয়ায় চাকরি পাননি তিনি। সরকারের সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা করেছিলেন পূর্ণিমা দাস। মামলা শুনানির জন্য কলকাতা হাই কোর্টের তিন বিচারপতিকে নিয়ে বিশেষ বেঞ্চ গঠিত হয়। বুধবার সেই মামলা রায়েই তিন বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, এবার থেকে চাকুরিরত অবস্থায় যদি কোনও সরকারি কর্মীর মৃত্যু হয়, তাহলে তাঁর বিবাহিত মেয়েকেও চাকরি দিতে হবে। এমনকী, চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে ‘বিবাহিত’ শব্দটিও ব্যবহার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত।

[রবীন্দ্রনাথ-বিবেকানন্দর বাংলায় কেন এত সন্ত্রাস, তৃণমূলকে তোপ অমিত শাহর]

সম্প্রতি মুসলিম মহিলাদের অধিকার রক্ষার জন্য তিন তালাক প্রথাকে অসাংবিধানিক বলে ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এই প্রথা রোধ করতে আগামী ছয় মাসের মধ্যে কেন্দ্রকে আইন  করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ। আর এবার চাকরির ক্ষেত্রেও বিবাহিত মেয়েদের অধিকারকে মান্যতা দিল কলকাতা হাই কোর্ট।

[কুমোরটুলিতে এবার টাকা না দিলে মুখ দেখাবে না দুর্গাও]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং