৩০ শ্রাবণ  ১৪২৫  বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮  |  মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

রূপায়ন গঙ্গোপাধ্যায়: অমিত শাহের জনসভার আগে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ৷ শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করে প্রশাসনের বিরুদ্ধে কার্যত যুদ্ধ ঘোষণা করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি৷ বলেন, ‘‘রবিবার পথ অবরোধ করে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা হলে সংঘর্ষ হবে৷ তার দায় সরকারকে নিতে হবে৷ পরে বলবেন না, বিজেপি গুন্ডামি করছে৷’’ রবিবারের সভায় জন্য যদি শহর কলকাতায় যানজটের পরিস্থিতি তৈরি হয়, থমকে যায় রাজপথ তাহলে এই ঘটনার দায় বিজেপি নেবে না বলেও এদিন সাফ জানিয়ে দেন তিনি৷

[ডেঙ্গু মোকাবিলায় ৪ পুরসভাকে ‘রেড অ্যালার্ট’ স্বাস্থ্য দপ্তরের]

রবিবার গান্ধী মূর্তি চত্বরে জনসভা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ৷ সভা উপলক্ষে প্রস্তুতি তুঙ্গে৷ জনসভা সড়াতে ইতিমধ্যেই জেলে থেকে লোক আনানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে৷ মনে করা হচ্ছে, এদিন হাজার ৫০ কর্মী-সমর্থকের ভিড় জমতে পারে গান্ধী মূর্তি চত্বরে৷ ফলে, প্রশাসনিক ব্যস্ততাও শুরু হয়েছে৷

কলকাতা পুলিশের তরফে সভা সুষ্ঠুভাবে চালাতে সবরকম সহযোগিতা করা হলেও, রাজনীতির ময়দানে ঝড় তুলতে শুরু করেছে বিজেপি৷ অমিত শাহের সভার বদলের অভিযোগ তুলে রাজ্য প্রশাসনের বিরুদ্ধে হুমকি দেন দিলীপ৷ রবিবার সভাকে কেন্দ্র করে শহর অচল হলে, এর দায় বিজেপি নেবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি৷ সভায় যেতে বিজেপি কর্মীদের বাঁধা দিলে ‘সংঘর্ষ’ হবে বলেও জানান তিনি৷ বলেন, ‘‘এমনিই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত চলছে৷ রবিবার সভায় যেতে বাঁধা দিলে সংঘর্ষ হবে৷’’

[অমিত শাহের জনসভায় ড্রোনে নজরদারির অনুমতি দিল না পুলিশ]

এদিন নাম না করে অমিত শাহের সফর নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ বলেন, ‘‘রাজ্যের নেতাদের দৌড় শেষ৷ ফলে, দিল্লি থেকে নেতা ভাড়া করে আনা হচ্ছে৷’’ তৃণমূল সূত্রে খবর, দমদম বিমানবন্দর থেকে শুরু করে অমিত শাহের সভাস্থল পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় কালো পতাকা হাতে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল কর্মীরা৷ কারণ, রবিবার গান্ধী মূর্তি চত্বরে সভা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি৷ ফলে, তাঁর এই সফরের বিরোধিতা করে পালটা কৌশল তৃণমূল শিবিরের৷

বাংলা দখলের স্বপ্ন নিয়ে বাংলা তাঁতিয়ে বেড়াচ্ছে গেরুয়া শিবির৷ ২০১৯-এর ক্ষমতা ধরে রাখতে গেলে বিজেপির নজর এখন উত্তর-পূর্ব ভারত৷ ফলে, মোদি বাহিনীর নজরে রয়েছে বাংলা৷ শক্ত ঘাসফুলের জমি চিড়ে পদ্ম ফোটানোর লক্ষ্য উঠেপড়ে লেগেছেন দিল্লির নেতারা৷ বাংলার রাজনীতিতে গেরুয়া রং ছড়াতে মোদি থেকে অমিত শাহদের লাগাতার সফরে চড়তে শুরু করে উত্তেজনার পাড়দ৷

[আগুন নিয়ে খেলছে কেন্দ্র, নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে বিস্ফোরক বিভাস]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং