ফের অকুস্থল চা-বাগান, চিতাবাঘের মৃত্যুতে ডুয়ার্সে চাঞ্চল্য

অরূপ বসাক, মালবাজার: গতিবিধি জানতে গলায় পরানো হয়েছিল রেডিও কলার। প্রথম রেডিও কলার লাগানো চিতাবাঘের মৃত্যুতে ডুয়ার্সে ছড়াল চাঞ্চল্য। তবে কি গলায় ক্ষত নিয়েই বেঘোরে প্রাণ হারাল ওই চিতা? মাল ব্লকের বেতগুরি চা-বাগানে মৃত চিতাবাঘকে দেখতে রবিবার মেলা ভিড়। এর থেকে প্রমান হল ডুয়ার্সের চা-বাগানগুলি বনাঞ্চলের চাইতে চিতার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে। জানা গিয়েছে, রবিবার সকাল থেকে বেতগুড়ি চা-বাগানে চিতার উপদ্রব শুরু হয়। জখম করে রাজীব ওড়াও নামে এক চা-শ্রমিককে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বন্যপ্রান শাখার মালবাজার স্কোয়াডের কর্মীরা। তাঁরা চা-বাগানের মুন্সি লাইনের ২ নম্বর সেকশন থেকে মৃত পূর্ণবয়স্ক পুরুষ চিতা উদ্ধার করে। মৃত চিতার গলায় ক্ষত ও রেডিও কলার ছিল।

[অ্যাডমিট কার্ডের জন্য দিতে হবে ৩৫০ টাকা, মাধ্যমিক দেওয়া হল না আফরিনদের]

উল্লেখ্য, গত মাসে রাংগামাটি চা-বাগান থেকে এক পূর্ণবয়স্ক চিতা উদ্ধার হয়। চিতার গতিবিধি জানতে মাল মহকুমা এলাকায় গরুমারা বনাঞ্চলে চিতাটিকে রেডিও কলার পরানো হয়। এটাই ছিল গরুমারা বনাঞ্চলে প্রথমবার চিতাকে রেডিও কলার পরানো। দেরাদুনের বিশেষঞ্জ দল রেডিও কলার পরায়। কিন্তু, চিতাটিকে বাঁচানো গেল না। এনিয়ে বন্যপ্রান শাখার এডিএফও বাদল দেবনাথ জানান, কী কারণে চিতাটি মারা গেল এনিয়ে অনুসন্ধান চলছে। তবে রেডিও কলার পরানোর এক সপ্তাহ পর্যন্ত চিতাটি গরুমারাতেই ছিল। এ তথ্য দেরাদুন থেকে জানিয়ে ছিল। কী কারণে গলায় ক্ষত হল তার ময়নাতদন্ত চলছে। এনিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে চালসার পরিবেশকর্মী মানবেন্দ্র দে সরকার বলেন, এই ঘটনা প্রমান করল গরুমারা বা চাপরামারিতে চিতা থাকার মতো পরিবেশ নেই। চিতা ধরে বনাঞ্চলে ছাড়া হলেও ওরা ফিরে আসছে চা-বাগানে। এনিয়ে গবেষণার প্রয়োজন আছে। বনে খাদ্যাভাব না অন্যকিছু তা জানা প্রয়োজন।

[অ্যাম্বুল্যান্স কাণ্ডে রাতভর নার্সিংহোমে তল্লাশি পুলিশের, গ্রেপ্তার মালিক-সহ ২]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *