৩০ শ্রাবণ  ১৪২৫  বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮  |  মোর নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি তোমাদেরই লোক: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজ কলকাতা লিগে কলকাতা কাস্টমসের মুখোমুখি হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচ বাতিল হয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে পুলিশকে বেলাইন করে এখন আত্মবিশ্বাসী লাল-হলুদ শিবির। তাঁর উপরে দলে যোগ দিয়েছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টা। দোভাষী বিতর্ক কাটিয়ে সাংবাদিক বৈঠকও হয়ে গিয়েছে। ভারতের মাটিতে নিজের ছাপ রেখে যেতে চান তা জানিয়ে দিয়েছেন অ্যাকোস্টা। শুক্রবার কাস্টমসের বিরুদ্ধে তিনি দলে নেই। কলকাতায় পা দেওয়ার পর তাঁকে ৭২ ঘন্টা বিশ্রাম দিয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। সময়সীমা এখনও শেষ হয়নি। তাই বৃহস্পতিবার প্র‌্যাকটিসে ছিলেন না তিনি। দোভাষী নিয়ে জনি অ্যাকোস্টা অবশ্য বললেন, “ম্যাচ খেলার জন্য তৈরি আছি। আন্তর্জাতিক ছাড়পত্র এলেই মুহূর্তে মাঠে নামব।” ইস্টবেঙ্গল টিডি সুভাষ ভৌমিক সেই প্রসঙ্গে বললেন, “আমনাকে কলকাতা লিগে না খেলানোর কথা বললেও, কখনই বলিনি জনিকে খেলাব না। যেদিন খেলানোর মতো মনে হবে, সেদিন ঠিকই খেলাব।’’

[এবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ফ্রান্সের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত]

কিছুদিন আগেই রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলে এসেছেন নেইমারদের বিরুদ্ধে। সেখান থেকে ইস্টবেঙ্গল মাঠে বসে নিজের দলের খেলা দেখলেন প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ। ব্রাজিল টু ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ। দোভাষীর মুখ থেকে শুনে হেসে ফেললেন বিশ্বকাপার। বললেন, “কোনও তুলনা চলে না।” যে ফুটবলার নেইমার, কুটিনহোদের সামলেছেন, তাঁর কলকাতা ফুটবলে অনায়াসে খেলার কথা। কোস্টারিকার ডিফেন্ডার এবার ডিফেন্সিভ। “আগে  খেলি। মাঠে না নামলে, কী করে বলব। তবে পরিবেশ আলাদা হলেও মানিয়ে নিতে অসুবিধা হবে না।’’ এই মানিয়ে নেওয়ার কথাটা যখন ইস্টবেঙ্গলের কর্দমাক্ত মাঠের কথা উঠল, তখনও বললেন। “মনে হয় না, এই মাঠে খেলতে অসুবিধা হবে।’’

[দোভাষী ছাড়াই অ্যাকোস্টার সাংবাদিক সম্মেলন, হাস্যকর পরিস্থিতি ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে]

জনি অ্যাকোস্টা না খেললেও কাস্টমসের বিরুদ্ধে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী টিডি সুভাষ ভৌমিক। তবে  ম্যাচের আগে সাবধানী সুভাষ বললেন, “যখন প্র‌্যাকটিস ম্যাচ খেলেছিলাম, তখন ওদের বিদেশি ছিল না। এখন বিদেশি আছে। তাই প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিলে চলবে না।” প্রথম ম্যাচে জয় পেলেও, স্ট্রাইকার বালি গগনদীপের পারফর‌ম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বারবার অফসাইডের ফাঁদে পড়া নিয়ে। ইস্টবেঙ্গল টিডি অবশ্য স্ট্রাইকারের পাশেই। বললেন, “মিডফিল্ড থেকে যারা বল বাড়াচ্ছে, তারা যদি ঠিক সময়ে বল ছাড়ে, তাহলে অফসাইড হয় না। ডার্বির আগে বিদেশি স্ট্রাইকার দরকার রয়েছে। তবে না পাওয়া গেলে হাত-পা ছুঁড়ে কাঁদতে বসব না।”

টানা ৯ বার কলকাতা লিগ জয়ের লক্ষ্যে নেমেছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু এবারে তাদের তুলনায় শুরুটা বেশি ভাল করেছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান। রেনবোর বিরুদ্ধে সবুজ-মেরুনের দুর্দান্ত কামব্যাক করে পাওয়া জয় কিছুটা হলেও বাড়তি চাপে রাখবে লাল-হলুদ শিবিরকে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং