এই শীতে পিকনিকের সেরা ১০ ঠিকানা

শীত মানেই বেড়ানো৷ নরম রোদ গায়ে মেখে কয়েক ঘণ্টার উল্লাস৷ পরিবার, বন্ধুদের সঙ্গে ছুটির শীত উপভোগের জন্য রাজ্যের ১০টি স্পটের খবর৷ লিখছেন শীর্ষেন্দু চক্রবর্তী৷

১) গাদিয়াড়া হাওড়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় পিকনিক স্পট৷ কলকাতা থেকে দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিমি৷ ধর্মতলা থেকে বাসে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা৷ সব থেকে বড় কথা, হুগলি নদীর তীরে বসে পিকনিক করার সুযোগ৷ রাজ্য সরকারের পর্যটন উন্নয়ন নিগমের রূপনারায়ণ ট্যুরিস্ট লজ রয়েছে থাকার জন্য৷ ফোন– ৯৭৩২৫১০০৭৬৷

২) মায়াপুর – জলঙ্গি আর গঙ্গার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত মায়াপুর ইসকনের মন্দিরের জন্য বিখ্যাত৷ অসাধারণ সুন্দর এই মন্দিরটি দেখার সঙ্গে সঙ্গে পিকনিকের সুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক হবে না৷ নদীর তীরে শীতকালে পিকনিক এক অপূর্ব অভিজ্ঞতা৷ বাড়ি ভাড়ার সুবিধা আছে, খরচ খুবই কম৷কলকাতা থেকে সোজা বাস যায় মায়াপুর৷ আবার কৃষ্ণনগর থেকে অটোয় মায়াপুর ঘাটে এসে নৌকায় নদী পার হলেই মায়াপুর৷

1

৩) মাইথন – পিকনিকের পাশাপাশি দু’-এক দিনের ছুটি নিয়ে দামোদরের তীরে মাইথনের ঘুরে আসতে পারেন৷ কাছেই রয়েছে কল্যাণেশ্বরী মন্দির৷ নানারকমের গাছপালায় ঘেরা এক অপূর্ব জায়গা৷ আসানসোল বা বরাকর থেকে মাত্র আট কিমি দূরে মাইথন৷ রয়েছে রাজ্য পর্যটন উন্নয়ন নিগমের মাইথন ট্যুরিস্ট লজ (ফোন– ৯৭৩২১০০৯৪০) এছাড়াও যুব আবাস, পিডবলুডি বাংলো,  হোটেল শান্তিনিবাস ইত্যাদি রয়েছে৷

৪) গড় মান্দারণ কামারপুকুর থেকে ঘাটাল যাওয়ার পথে আড়াই থেকে তিন কিমি গেলেই গড় মান্দারণ৷ বিশাল এলাকা জুড়ে ঘন গাছের সারিতে ঢাকা এক মনোরম পিকনিক স্পট৷ ফোন– ০৩২১১-২৪৪৫৭০৷

2

৫) কল্যাণী পিকনিক গার্ডেন – কল্যাণী সীমান্ত স্টেশন থেকে কাছেই এই গার্ডেন৷ প্রবেশমূল্য রয়েছে৷ পিকনিক করতে চাইলে আগে থেকে কথা বলে নিতে হবে৷ ফোন–  ৯৩৩৯৮৭৬৮২৩৷

৬) দুর্গাপুর ব্যারেজ – দামোদর নদের ধারে গাছের ছায়ায় পিকনিকের পক্ষে আদর্শ স্থান৷ খুব কাছেই দুর্গাপুর ব্যারেজ, দামোদরের অন্য তীরে বাঁকুড়া জেলা, দুর্গাপুরে আছে রাজ্য সরকারের পর্যটন উন্নয়ন নিগমের হোটেল৷ ফোন– ৯৭৩২১০০৯৩০৷

৭) গড়চুমুক – হাওড়ার শ্যামপুর এলাকায় একটি অন্যতম জনপ্রিয় স্পট৷ একটু দূরেই এশিয়ার বৃহত্তম গেটের অন্যতম আটান্ন গেট৷ সামনেই দামোদর নদ৷ আছে জেলা পরিষদ পরিচালিত হলিডে হোম৷ ফোন– ০৩৩-২৬৩৮৪৬৩৩৷

৮) বাকসি হাওড়ার বাগনান স্টেশন থেকে বাসে খানিকটা পথ গেলেই বাকসি৷ বাগনান থেকে বাস আছে৷ নদীর ধারে পিকনিক করা যায়৷ তবে, আগে থেকে যোগাযোগ করে নিলে সমস্যা হবে না৷

3

৯) পানিত্রাস এই স্পটের সব থেকে বড় বৈশিষ্ট্য– এখানেই রয়েছে কথাশিল্পী শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি৷ কাছেই রূপনারায়ণ৷ নদীর কাছে বিশাল মাঠ বা নদীর তীরে পিকনিক হয়৷ কাছেপিঠে অনেক গেস্ট হাউস রয়েছে৷ আগে থেকে বুক করে নিতে হবে৷ কোলাঘাটের আগের স্টেশন দেউলটি৷ এখান থেকে অটো বা গাড়িতে পানিত্রাস যেতে পারবেন৷ প্রসঙ্গত বলতে হয়, কোলাঘাটও একটা ভাল পিকনিক স্পট৷ নদীর ধারে মন খুলে ঘোরা যায়৷

১০) নিউ দিঘা – হাওড়া থেকে ব্যান্ডেলগামী ট্রেনে চন্দননগর,  সেখান থেকে অটো করে প্রায় পনেরো মিনিটের পথ৷ হুগলি জেলা পরিষদের উদ্যোগে এখানে গড়ে উঠেছে সুন্দর পিকনিক স্পট৷ নানারকম ফুল, বাহারি গাছে ছাওয়া স্পটটিতে সবরকম সুবিধাই  রয়েছে৷ ফোন– ২৭০৮৪৫৮১৷

4

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *