৩০ শ্রাবণ  ১৪২৫  বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮  |  ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিনদিন ডিজিটাল ডেস্ক : কর্নাটকের ভোটের প্রচারে গিয়েই প্রথম প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি৷ কিন্তু ভোটের ফল রাহুলের সেই স্বপ্নকে কিছুটা হলেও ধাক্কা দিল৷ অন্তত এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷ কর্ণাটকের প্রচারপর্বের শুরু থেকেই একার ক্ষমতায় সরকার গড়ার দাবি জানাচ্ছিল কংগ্রেস৷ ফলপ্রকাশের পর দেখা গেল বিজেপির থেকে বেশি ভোট পেলেও আসন সংখ্যার বিচারে গেরুয়া শিবিরের ধারেকাছে নেই শতাব্দী প্রাচীন দলটি৷ যে জেডিএসকে একসময় বিজেপির বি টিম বলেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি, বিজেপিকে রুখতে সেই জেডিএসকে কার্যত নিঃস্বার্থ সমর্থন করতে হল রাহুলের দলকে৷

[ম্যাজিক ফিগার থেকে দূরে বিজেপি, সরকার গড়ার পথে কংগ্রেস-জেডিএস জোট]

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কর্ণাটকের ভোটের ফলেই অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে গেল ২০১৯ নির্বাচনে একার শক্তিতে বিজেপিকে রুখতে পারবে না কংগ্রেস৷ আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোটই কংগ্রেসের একমাত্র রাস্তা৷ ফলাফল পরিষ্কার হওয়ার আগে টুইটে সেকথা আরও একবার মনে করিয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ জোট করলে ফলাফল অন্যরকম হত, টুইটে কংগ্রেসকে কার্যত খোঁচা দিয়েছিলেন মমতা৷ পরে কংগ্রেসের সমর্থনে জেডিএস সরকার গড়ার দাবি জানালে দেবেগৌড়াকে ফোনে শুভেচ্ছাও জানান মুখ্যমন্ত্রী৷

[‘কর্ণাটকে অন্যরকম ফল হতে পারত’, ফের বিরোধী জোটের পক্ষে সওয়াল মমতার]

কর্ণাটকে ভোটের হারের পর মান বাঁচাতে আসরে নামতে হয় সেই সোনিয়া গান্ধিকে৷ দেবেগৌড়াকে ফোন করে সরকার গড়ার আহ্বান জানান তিনিই৷ তাঁর কথামতই দলের বর্ষীয়ান নেতারা চূড়ান্ত রফা করেন জেডিএসের সঙ্গে৷ রাজনৈতিক মহলের একাংশ বলছে, এতেই প্রমাণিত হল এখনও স্বয়ংসম্পূর্ণ নেতা হয়ে উঠতে পারেননি রাহুল, বিপদের সময় এখনও তাঁর পরিত্রাতা মা সোনিয়া৷ গুজরাটের মতই কর্ণাটকে ম্যারাথান প্রচারে নেমেছিলেন রাহুল৷ কন্নড়ভূমের প্রায় ১৭০ টির মত আসনে প্রচারে গিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি, তাঁর মধ্যে কংগ্রেস জিতেছে মোটে গোটা ষাটেক৷ অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে আসনগুলিতে ভোট চাইতে গিয়েছিলেন তাঁর বেশিরভাগ আসনেই জিতেছে গেরুয়াশিবির৷ অর্থাৎ সব মিলিয়ে, আরও একবার মোদির ক্যারিশমার কাছে পরাস্ত হতে হল কংগ্রেস সভাপতিকে৷

[ফলাফল যাই হোক, লিঙ্গায়ত ভোট পকেটে পুরে বাজিমাত বিজেপির]

এদিকে, কর্ণাটকে কংগ্রেসের হতশ্রী ফলাফল এবং জেডিএসকে সমর্থন আরও একবার প্রশ্ন তুলে দিল প্রস্তাবিত বিজেপি বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দিতে রাহুল কতটা প্রস্তুত তা নিয়েও৷ রাহুলের নেতৃত্বে নির্বাচনে লড়ে একের পর এক হারের মুখ দেখতে হচ্ছে কংগ্রেসকে, তারপরেও কি বিরোধী শিবিরের নেতারা রাহুল গান্ধিকে নেতা হিসেবে মানবেন? বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে কংগ্রেসের অভ্যন্তরেও৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং