১ ভাদ্র  ১৪২৫  শনিবার ১৮ আগস্ট ২০১৮ 

BREAKING NEWS

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ ভাদ্র  ১৪২৫  শনিবার ১৮ আগস্ট ২০১৮ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের ভারত-মার্কিন সম্পর্কে প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়াল পাক জঙ্গি সগঠন লস্কর-ই-তৈবা। সামরিক খাতে সাহায্যের পরিবর্তে লস্করের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ চায়নি আমেরিকা। এমনটাই দাবি পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমের। যদিও এই দাবির  সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবুও এর ফলে কিছুটা হলেও বরফ জমবে ভারত ও আমেরিকার সম্পর্ক। এমনটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা।

[মার্কিন জঙ্গি তালিকায় নেই হাফিজ সইদের নাম, দাবি পাকিস্তানের]

আফগানিস্তানে আমেরিকার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ‘অংশীদার’ পাকিস্তান। ফলে ন্যাটো-র অন্তর্ভুক্ত না হলেও সামরিক খাতে ইসলামাবাদকে যথেষ্ট পরিমাণের অর্থ ও অস্ত্র দেয় ওয়াশিংটন। তবে সম্প্রতি সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে দু’দেশের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। সন্ত্রাস নিয়ে ইসলামাবাদের দ্বিচারিতায় প্রবল ক্ষুব্ধ মার্কিন কংগ্রেস। পাকিস্তানকে আর্থিক মদত না দেওয়ার দাবি উঠেছে কংগ্রেসে। এমনই পরিস্থিতিতে পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, মার্কিন জঙ্গি তালিকায় নেই লস্করের নাম। তবে ‘হাক্কানি নেটওয়ার্ক’ জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দ্রুত কড়া পদক্ষেপ করার কথা বলেছে মার্কি প্রশাসন। কয়েকদিন আগেই পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী খোয়াজা আসিফ জানিয়েছিলেন, ইসলামাবাদের কাছে ৭৫ জন জঙ্গির মার্কিন তালিকায় নাম নেই জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান হাফিজ সইদের। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেওয়ায় মার্কিন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ লিস্টে রয়েছে লস্কর প্রধান সইদ। ২০০৪ সালেই জামাত-উদ-দাওয়াকে জঙ্গি সংগঠন বলে ঘোষণা করে ওয়াশিংটন। তার মাথার দাম ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ধার্য করে আমেরিকা। এমনই পরিস্থিতিতে পাক বিদেশমন্ত্রীর দাবি নিয়ে তৈরি হয়েছিল দ্বন্দ্ব।

উল্লেখ্য, তালিবানেরই একটি শাখা হাক্কানি নেটওয়ার্ক। আফগানিস্তানে মার্কিন ও ন্যাটো সেনার বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে তারা। অন্যদিকে পাক মদতপুষ্ট লস্করের উদ্দেশ্য হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরে নাশকতা চালানো। ফলে হাক্কানি জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেও, লস্করকে মদত যুগিয়ে চলেছে পাক সেনা ও আইএসআই। ২০০৮-এ মুম্বই হামলার নেপথ্যেও ছিল হাফিজ সইদের লস্কর। পাক দাবির সত্যতা নিয়ে সন্ধিহান হলেও এই খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মহলে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানকে প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সাহায্য বরাদ্দ করেছে আমেরিকা। তবে ‘হাক্কানি নেটওয়ার্ক’-এর বিরুদ্ধে ‘সন্তোষজনক’ পদক্ষেপ করলেই ওই টাকা থেকে ৩৫০ মিলিয়ন পাকিস্তানকে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে পাকিস্তানের অবদান নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসকে একটি সার্টিফিকেট দেবেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জেমস ম্যাটিস। তারপরই ওই অর্থ দেওয়া হবে। ইতিমধ্যে সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানকে একঘরে করার চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। চলতি বছরই ‘ব্রিকস’ সন্মেলনে নাম না করে পাকিস্তানকে তুলোধনা করে বিশ্বের একাধিক দেশ।

[অনলাইনে কেনাকাটার বিল মেটাতে নিজেরই অপহরণের গল্প পড়ুয়ার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং