৩০ শ্রাবণ  ১৪২৫  বুধবার ১৫ আগস্ট ২০১৮  |  ৭২ তম স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা

মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও রাশিয়ায় মহারণ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসল লড়াইটা ছিল কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধির সঙ্গে মোদি-শাহ জুটির। তাতে সহযোদ্ধা হিসাবে নাম লিখিয়েছিলেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ও বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ইয়েদ্দুরাপ্পা। সম্পূর্ণ ভোট চিত্রে কোথাও ছিলেন না জেডিএস নেতা এইচডি কুমারাস্বামী। কিন্তু সারাদিন ধরেই কর্ণাটক নির্বাচনের ফলাফলকে কেন্দ্র করে সংবাদের শিরোনামে ছিলেন এই নেতাই। তিনি জেডিএস নেতা এইচডি কুমারাস্বামী।

[ম্যাজিক ফিগার থেকে দূরে বিজেপি, সরকার গড়ার পথে কংগ্রেস-জেডিএস জোট]

কে এইচডি কুমারাস্বামী? প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচডি দেবেগৌড়ার পুত্র কুমারাস্বামী ২০০৬-তে কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তবে মাত্র দেড় বছরের মাথায় মুখ্যমন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। বলা হয়, তাঁর আমলেই কর্ণাটকের আর্থিক বৃদ্ধি ঘটেছিল রেকর্ড পরিমাণ। কর্ণাটকের কুর্সিতে বসা সবচেয়ে পরিণত শাসক হিসাবেও তাঁকে অনেকে ব্যাখ্যা করে থাকেন। কর্ণাটকের রামানাগারা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে এর আগে তিনবার জয় লাভ করেছেন জনতা দল সেকুলার বা জেডিএসের এই নেতা। মুসলিম প্রভাবিত এই কেন্দ্রে এবারও লড়াই করেছিলেন তিনি। পেয়েছেন প্রত্যাশিত জয়।

[ফলাফল যাই হোক, লিঙ্গায়ত ভোট পকেটে পুরে বাজিমাত বিজেপির]

এবার কেবল রামানাগারা কেন্দ্রই নয়, তাছাড়াও মুসলিম প্রভাবিত ছান্নাপাটনা কেন্দ্রেও লড়াই করেছেন কুমারাস্বামী। সেখানেও মিলেছে জয়। জেডিএস সূত্রে খবর, এই কেন্দ্র থেকে তাঁর স্ত্রীকে প্রথমে টিকিট দিতে চেয়েছিলেন কুমারাস্বামী। কিন্তু তা সম্ভব না হওয়ায়, সেখানে নিজেই প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়ান। এই কেন্দ্রে তাদের প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেসও। কিন্তু ভোট যুদ্ধে কুমারাস্বামী পরাজিত করেন কংগ্রেসের প্রার্থী ইকবাল হাসানকে। এলাকার মূল সমস্যা কৃষি ও বাণিজ্যতে ইস্যু করেই ভোট যুদ্ধে বাজিমাত করেছেন এই পরিণত নেতা। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং