ঠিক বলতে চায় আপনার পোষ্যটি? নির্ভুলভাবে জানিয়ে দেবে এই যন্ত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মিতালি সবসময় চিকুর সঙ্গেই ছবি পোস্ট করেন হোয়াটসঅ্যাপে। ক্যাপশন, ‘কুচকুচে কালো সে জাতে স্প্যানিয়াল, তুলতুলে গা যেন রেশমী রুমাল, আমি তাকে পুষিবল নামেই ডাকতাম’। চিকু অর্থাৎ মিতালির প্রিয় পোষ্য সেই ছবি দেখে একবার মিতালির দিকে তাকায়, আরেকবার তাঁর স্মার্ট ফোনের দিকে। তারপর নিজের মতো করে কখনও মিতালির গালে চেটে দেয়, আবার কখনও ঘেউ ঘেউ করে ওঠে। কিন্তু কী বলতে চায় চিকু? অবশেষে সেই প্রশ্নের উত্তর মিলল। এবার সরাসরি পোষ্যের অঙ্গভঙ্গি একেবারেই নির্ভুল ইংরেজিতে ফুট উঠবে যন্ত্রে। যন্ত্রটির নাম ‘পেট ট্রান্সলেটর’।

[নিতম্বে ক্রিম লাগানোর ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার মডেল]

পোষ্য কুকুর কিংবা বিড়াল কী বলতে চায়। মনখারাপ? অভিমান? ভালবাসা নাকি রাস্তায় অন্য কোনও পশুকে আদর করার জন্য হিংসায় ছটফট করছে প্রিয় পোষ্যটি? প্রাণীটির শরীরী ভাষা বা অঙ্গভঙ্গি দেখে আন্দাজ করতে পারেন মালিক। কিন্তু, সেই আন্দাজই যে একেবারে সঠিক, তার গ্যারান্টি কে দেবে? কিন্তু, আর চিন্তা নেই। এবার আপনার প্রিয় পোষ্যের মুখভার হলে তা ইংরেজি বর্ণমালায় ফুটে উঠবে পেট ট্রান্সলেটর নামক এক যন্ত্রে। যন্ত্রের সঙ্গে থাকবে রোবটও। আর তাদেরই সাহায্যে পোষ্যের ঘেউ ঘেউ  রূপান্তরিত হবে মানুষের ভাষায়। আরও বেশি সহজ হয়ে উঠবে আপনি ও আপনার প্রিয় পোষ্যের কথোপকথন।

[‘উড়ন্ত’ গাড়ির ধাক্কা বহুতলে! তারপর কী হল?]

প্রায় ৩০ বছর ধরে পোষ্যদের সঙ্গে মানুষের সংযোগস্থাপন নিয়ে গবেষণা করছেন আমেরিকার নর্থ অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কন স্লোবোডচিকফ। এই পেট ট্রান্সলেটর যন্ত্রটি তাঁরই আবিষ্কার। কন স্লোবোডচিকফ জানিয়েছেন, ভাবপ্রকাশের জন্য প্রাণীদের একটি উন্নত ভাষা আছে। উত্তর আমেরিকার প্রেইরি কুকুররা আশপাশে শত্রু দেখলেই উচ্চস্বরে চিৎকার করতে থাকে। এমনকী, শত্রুর ক্ষমতা অনুযায়ী বদলে যায় ডাকও। এই বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা চালিয়েছেন তিনি। সেই গবেষণারই ফসল পেট ট্রান্সলেটর। রোবটেরও সাহায্য নিয়েছেন তিনি। পোষ্যের মুখের ভাব, গলার স্বর সবকিছু চিনে নিয়ে তা ইংরেজিতে লিখে মালিককে জানিয়ে দেবে এই যন্ত্র। মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপকের দাবি, কুকুরের ভাষা বুঝতে নাকি মানুষের মাত্র ১০ বছর সময় লাগে।

[কিছুতেই স্নান করতে চান না স্ত্রী, ডিভোর্স চাইলেন যুবক]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *