ভোট পরবর্তী সংঘর্ষের জেরে নিউটাউনে গ্রেপ্তার ২৫ জন বিজেপি কর্মী

কলহার মুখোপাধ্যায়:  ২৫ জন দলীয় কর্মীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বিজেপির থানা ঘেরাও অভিযান। মঙ্গলবার নিউটাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভে নেমেছে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। বিক্ষুব্ধদের বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, দলীয় কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই মুহূর্তে বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ চলছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে নিউটাউন থানার পুলিশ।

[ভোট শেষ, এখনও ‘গুলাব গ্যাং’ নিয়ে জোর আলোচনা মহম্মদবাজারে]

ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকাল ১০.৩০ নাগাদ। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজারহাট পঞ্চায়েতের জ্যাংড়া হাতিয়ারা-দু’নম্বর। বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। এর জেরে ব্যালট বাক্স খালের জলে ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। ঘটনাস্থল স্থানীয় নবীনচন্দ্র স্কুলের ২২৬-এর ২৩৭ নম্বর বুথ। সংঘর্ষের জেরে বন্দ হয়ে যায় এই কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ। তখনকার মতো পুলিশি প্রহরায় অশান্তি থেমে যাওয়ায় কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। গোটা রাজ্যে ভোট গ্রহণ চলাকালীন চোখে পড়ার মতো নিরাপত্তা বলয় ছিল সংশ্লিষ্ট স্পর্শকাতর এলাকায়। তাই কোনওরকম বড় ধরনের অশান্তি চোখে পড়েনি।

bjp-agi

কিন্তু অন্ধকার নামতেই ফের সংঘর্ষ শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আসরে নামে নিউটাউন থানার পুলিশ। রাতেই ঘটনাস্থল থেকে ১০ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সকাল হতেই এই গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে নিউটাউন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের একাংশ থানায় ঢোকারও চেষ্টা করে। সেই সময় আসরে নামে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হঠাতে লাঠিচার্জও করা হয়। এই সময়ই অতি বিক্ষুব্ধ আরও পাঁচজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই গ্রেপ্তারিতে মারমুখী বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভের মাত্রা কমলেও তা থামেনি। বিক্ষিপ্তভাবে বিক্ষোভ এখনও চলছে। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীদের দাবি, অন্যায়ভাবে দলীয় কর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনা নিয়ে মুখ খোলেনি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

[ভোটের যুদ্ধ শেষ, বেলাশেষে একপাতে খিচুড়ি খেলেন যুযুধান তৃণমূল-বিজেপি কর্মীরা]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *