বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জমানাতেও সে দেশে বিপন্ন সংখ্যালঘুরা! ইতিমধ্যেই এই ধরনের কয়েকটি উদাহরণ প্রকাশ্যে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে তারেককে চিঠি দিল ৯টি মানবাধিকার সংগঠন। সেখানে তারা বাংলাদেশের নাগরিকদের অধিকার রক্ষার অহ্বান জানিয়েছে।
আরও পড়ুন:
চিঠিতে জানানো হয়েছে, শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চরমে ওঠে। মহম্মদ ইউনুসের জমানাতেও তা বজায় থাকে। হিন্দু ধর্মাবলম্বী, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপর নির্বিচারে চলে অত্যাচারে। দিনের পর দিন আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরা। সংগঠনগুলির দাবি, বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের আমলেও বহু হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিন্তু ইউনুস আসার পর সেগুলি থামাতে তিনিও ব্যর্থ হয়েছেন। বাংলাদেশে লঙ্ঘন হয়েছে মানবাধিকার। সাংবাদিক, সংখ্যালঘুদের উপর ক্রমাগত আক্রমণ হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’ (এশিয়া)-এর ডিরেক্টার মীনাক্ষী গাঙ্গুলী বলেন, “তারেক বিপুল জনসমর্থন পেয়েছেন। পূর্ববর্তী সরকারকে সরাতে বহু মানুষ নিজেদের জীবন বাজি রেখেছিলেন।” সংগঠনগুলি জানিয়েছে, তারেক জমানায় মানবাধিকার রক্ষার অনেক সুযোগ রয়েছে। তাদের দাবি, দেশে যারা অশান্তি ছড়াচ্ছেন, যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে যাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনগুলি।
সর্বশেষ খবর
-
হাসিনায় সম্পর্কে কাঁটা, সেই বাংলাদেশের দাবিতে ১৯টি অত্যাধুনিক রেল কোচ পাঠাল ভারত!
-
পায়ে ব্যথা, অথচ সমস্যা লুকিয়ে কোমরে! সায়াটিকার লক্ষণ চিনবেন কীভাবে
-
রস্টারের চাপে ঘুম হয় না! গাঁজার সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খেয়ে বিমান চালাতে ওঠেন এয়ার ইন্ডিয়া পাইলট
-
এশিয়াডের আগে সাসপেন্ড টেবিল টেনিস ফেডারেশন, অন্ধকারে খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ
-
৪৭৫ কিমি পেরিয়ে ‘গেমতুতো’ বন্ধুদের দেখতে এসে বিপদ! গঙ্গারামপুরে লজে পাকড়াও ৩ নাবালক