সুকুমার সরকার, ঢাকা: বিস্ফোরণে কাঁপল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। বৃহস্পতিবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত মধুর ক্যান্টিনের সামনে আইইডি বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এই ধামাকায় কেউ আহত হয়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, এদিন সকাল ১১ টা নাগাদ আচমকা প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর। দেখা যায় মধুর ক্যান্টিনের সামনে ধোঁয়া উড়ছে। তবে ককটেল বোমাটির একটি অংশ কোনও কারণে ফাটেনি। বিপত্তি এড়াতে তড়িঘড়ি জল ঢেলে বিস্ফোরকটিকে অকেজো করে ফেলা হয়। ঘটনার পর গোটা চত্বর ঘিরে তল্লাশি চালায় বম্ব স্কোয়াড ও নিরাপত্তারক্ষীরা। কে বা কারা এই বিস্ফোরণের নেপথ্যে, তা জানতে জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্তকারীদের একাংশের মতে, আইইডিটির ধরন দেখে তা জেহাদি সংগঠনগুলির তৈরি বলেই মনে হচ্ছে। তবে ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কলহের দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: মাছের বাক্সে মাদক পাচার, ৩ দুষ্কৃতীর অভিনব কায়দা ফাঁস করল পুলিশ]
ঘটনার সন্দর্ভে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর ড. এ কে এম গোলাম রব্বানি বলেন, ‘ঘটনা সম্পর্কে জেনেছি। কে বা কারা এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা বের করতে অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে।’ উল্লেখ্য, গত রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনে ভিপি নুরুল হক নুর ও তাঁর সহযোগীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নুর, ফারাবী ও সুহেল-সহ অন্তত ২৫ জন জখম হন। ওই ঘটনার পর উত্তাল হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে ক্যাম্পাসে কয়েক দফা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন পড়ুয়ারা। ঘটনা নিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায় শাসকদলের ছাত্রলিগ-মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর নেতৃত্বাধীন সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। ঘটনার পর থেকেই থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। এর মধ্যেই আজ সকালে ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় রীতিমতো চঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
৩ মিনিট ১২ সেকেন্ড অপেক্ষাতেই পেনাল্টি মিস এমবাপের! তিতিবিরক্ত দেশঁ, ফুঁসে উঠলেন হালান্ডও
-
সারাদিন ফোনে মুখ গুঁজে বাড়ছে ডার্ক সার্কেল? দু’সপ্তাহেই ‘ভ্যানিশ’ হবে পাঁচ ঘরোয়া উপায়ে
-
সোমেই লাগু গুন্ডাদমন, ‘সামশেরগঞ্জ, ধুলিয়ান আর হবে না’, বহরমপুরে দাঁড়িয়ে কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর
-
নকল ডিগ্রি, জাল শংসাপত্র! শিক্ষায় ‘কঙ্কালসার’ বিহারে চাকরি যাচ্ছে ৩ হাজার শিক্ষকের
-
মায়েরা সব পারে… ফুসফুসের রোগে শয্যাশায়ী ছেলে, হাতে নোট লিখে জেইই পরীক্ষা পাশ করালেন মা!