Bangladesh

ভারতকে বন্দর ব্যবহারের অনুমতি বাংলাদেশের, ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হাসিনা সরকারের

বদলে যাবে যাবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৪, ১৪:৩১

options
link
ভারতকে বন্দর ব্যবহারের অনুমতি বাংলাদেশের, ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত হাসিনা সরকারের

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ভারতীয়দের বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিল বাংলাদেশ। নির্বাচন জিতে টানা চতুর্থবার দেশের মসনদে বসে ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোতে পণ্য পাঠাতে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরটি ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিল ভারত। এবার সেই আবেদনেই সাড়া দিয়ে প্রথমবারের মতো নয়াদিল্লিকে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দিল ঢাকা। 

Advertisement

মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টের (আইআইএম) শিক্ষার্থীদের নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন এস জয়শংকর। সেখানেই বিদেশমন্ত্রী বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সড়কপথে যোগাযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের রেল ও বাসের মাধ্যমে যোগাযোগ রয়েছে। এই প্রথমবার সেদেশের ভিতর দিয়ে ভারতীয়দের যাতায়াত ও বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর একটি বড় প্রভাব পড়বে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। বাংলাদেশ এই অনুমতি না দিলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষকে শিলিগুড়ি তার পর ভারতের পূর্বাঞ্চলের বন্দরগুলোতে যেতে হত। তাঁরা এখন চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে পারবেন।” এর ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অর্থনীতি বদলে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়েছে ভারত! কী বলছে আমেরিকা?]

উল্লেখ্য, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি অর্থনীতি শক্তিশালী করতে চায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। গত বছর ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্সের বার্ষিক অধিবেশনে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। ভারতের কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রাজকুমার রঞ্জন সিং বাংলাদেশের কাছে বন্দর ব্যবহারের অনুরোধের কথা জানিয়েছিলেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চট্টগ্রাম থেকে ভারতের অসম-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে পণ্য পরিবহণে সময় ও অর্থের অনেকটাই সাশ্রয় হয়। তাই এই আবেদন জানিয়েছিল নয়াদিল্লি।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.