টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ। পার্বত্য অঞ্চলগুলিতে অব্যাহত ভয়ংকর ধস। বৃহস্পতিবারও সেই ধসের কবলে পড়ে মৃত্যু হল ৭ জনের। এর মধ্যে কক্সবাজারের প্রাণ হারায় ২ শিশু এবং বান্দরবন জেলার লামা উপজেলায় মৃত্যু হল একই পরিবারের ৩ সদস্য-সহ ৫জনের। ২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ধসে প্রাণ হারালেন ৩৫ জন।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশে বেশ কয়েকদিন ধরেই চলছে ভারী বর্ষণ। পাহাড় ধসে পড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছে কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবিরও। রবিবার মৃত্যু হয় ৯ রোহিঙ্গা শরণার্থীর। বুধবারও প্রাণ হারিয়েছেন ৮ জন। কিন্তু সেই মৃত্যুমিছিল অব্যাহত। ধসের কবলে পড়ে বৃহস্পতিবারও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এদিন সকালে বান্দরবনের পুলিশ সুপার মহম্মদ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “লামায় একই এলাকায় পৃথক দু’টি ঘটনায় নিহত হয়েছে শিশু-সহ ৫ জন। দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।” স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে নাগাদ পাহাড়ে ধস নামে। বিকট শব্দ শুনে ছুটে আসেন বাসিন্দারা। মাটির নিচে চাপা পড়ে যায় আস্ত একটা বাড়ি। জানা যাচ্ছে, বাড়ির ভিতরে সেই সময় ঘুমাচ্ছিলেন তিন জন।
খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল। তিন জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর প্রায় দেড় ঘণ্টা পর, ভোর ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ মিশনপাড়া এলাকায় আরও একটি ধসের ঘটনা ঘটে। মাটি এবং ঘরের দেওয়াল চাপা পড়ে প্রাণ হারান স্বামী-স্ত্রী। ঘটনার সময় তাঁরা ঘুমাচ্ছিলেন। নিহতরা হলেন মহম্মদ জুয়েল (৩৪) এবং কুলছুমা আক্তার (২৫)। অন্যদিকে, কক্সবাজারের চকরিয়ায় উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের সাত নম্বর ওয়ার্ডের মোহছেনিয়া কাটাপাহাড়ি গ্রামে ধসের জেরে ঘুমন্ত দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন এর তরুণী।
সর্বশেষ খবর
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার
-
মুহূর্তে ‘জলরাক্ষস’ গ্রাস করল স্ত্রী-পুত্রকে! নেপালের ব্যবসায়ীর দু’চোখে এখনও আতঙ্ক ও বিষাদ
-
ক্যামাক স্ট্রিটে ফের ঝুলল ‘বেআইনি’ হোর্ডিং! ‘যতদূর যেতে হয়, যাব’ পুলিশের সঙ্গে গাজোয়ারির পর হুঁশিয়ারি অভিষেকের
-
মহারাষ্ট্র পিএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ‘ফাঁস’! ব্যর্থ প্রেমকাহিনিতেই প্রকাশ্যে কেলেঙ্কারি