সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে চলা মাদকবিরোধী অভিযানে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাল ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে ওই অভিযানে নজর রাখছে রাষ্ট্রসংঘও। গত কয়েকদিনে বাংলাদেশে লাগাতার অভিযানে নিকেশ করা হয়েছে প্রায় ১২০ জন মাদক পাচারকারীকে। তারপরই সরকারের অভিসন্ধি নিয়ে প্রশ্ন উঠে বিভিন্ন মহলে।
[কৃষকদের দাবি পূরণ না হওয়ায় ক্ষোভ, গায়ে আগুন দেওয়ার চেষ্টা কংগ্রেস বিধায়কদের]
মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে সোমবার মন্তব্য করেন বাংলাদেশে ইইউ-র স্থায়ী প্রতিনিধি। তিনি জানান, সন্দেহভাজন পাচারকারীদের মৃত্যুর ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করুক বাংলাদেশ সরকার। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলির প্রতিনিধিরাও আইনি প্রক্রিয়া মেনে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে ঢাকার উপর চাপ বাড়িয়ে বিবৃতি দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানিয়েছে রাষ্ট্রসংঘের সংস্থা অফিস অন ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইম। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে ইতিমধ্যেই চাপ বাড়ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর। নির্বিচারে সন্দেহভাজন অপরাধীদের এনকাউন্টার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে একাধিক মানবাধিকার সংগঠন।
মে মাসের ১৪ তারিখ থেকেই মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে অভিযান শুরু করেছে এলিট বাহিনী ব়্যাব। রাজধানী ঢাকা-সহ একাধিক জেলায় চলা লাগাতার হানায় নিকেশ হয়েছে একশো জনেরও বেশি সন্দেহভাজন মাদকপাচারকারী। সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিও। চলতি বছরের শেষেই বাংলাদেশে সাধারণ নির্বাচন। তার আগেই পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানের নাম সন্ত্রাস চালাচ্ছে আওয়ামি লিগ সরকার।
[রোহিঙ্গা শরণার্থীদের রান্নার জ্বালানি জোগাতে বন উজাড় কক্সবাজারে]
সর্বশেষ খবর
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই রাজ্যে কিংবদন্তি কাফু, দার্জিলিং ও কলকাতায় একাধিক কর্মসূচি
-
আর ট্রেন লেট নয়, পুরুলিয়ার আদ্রা-জয়চণ্ডীপাহাড় বাইপাস রেলপথে ২৭২ কোটি খরচে কাজ
-
মাঝআকাশে অসুস্থ পাইলট, ‘মে ডে কল’ দোহা-বেঙ্গালুরু ইন্ডিগোর উড়ানের, তারপর…
-
কলমের আঁচড়ে রাষ্ট্রদ্রোহ! টোটা-সৃজিতের ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’র ঝলকে অগ্নিযুগের বিপ্লবী মিমি-আবির
-
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছে কালীঘাট তৃণমূলের, পাঠানো হল চিঠি