Bangladesh

‘ভারত টুকরো টুকরো না হলে বাংলাদেশে শান্তি আসবে না’, প্রাক্তন বাংলাদেশি সেনাকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক

প্রাক্তন জামাত প্রধানের ছেলে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ১৮:১৫

options
link
‘ভারত টুকরো টুকরো না হলে বাংলাদেশে শান্তি আসবে না’, প্রাক্তন বাংলাদেশি সেনাকর্তার মন্তব্যে বিতর্ক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “যত দিন না ভারত ভেঙে টুকরো টুকরো হচ্ছে, ততদিন বাংলাদেশে (Bangladesh) পুরোপুরি শান্তি আসবে না।” এহেন উসকানিমূলক মন্তব্য করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন সেনাকর্তা আবদুল্লাহিল আমান আজমি (Abdullahil Amaan Azmi)। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল প্রাক্তন জামাত প্রধান গুলাম আজমের ছেলে। প্রকাশ্যে ভারতবিদ্বেষী মন্তব্যে বিতর্কে শুরু হয়েছে।

Advertisement

সম্প্রতি ঢাকা প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রাক্তন সেনাকর্তা। সেখানে তিনি বলেন, “ভারত যত দিন না ভেঙে টুকরো টুকরো হচ্ছে, ততদিন বাংলাদেশে পুরোপুরি শান্তি আসবে না।” আবদুল্লাহিল আমান আজমির দাবি, “নয়াদিল্লি বরাবর দেশের (পড়ুন বাংলাদেশের) ভিতরে অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করেছে।” ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অস্থিরতার জন্যও ভারতকে অভিযুক্ত করেন তিনি। উল্লেখ্য, দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্গত তিনটি পাহাড়ি জেলা রয়েছে, যা ভারতের সীমান্তবর্তী অঞ্চল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আবদুল্লাহিলের বলেন, “শেখ মুজিবর রহমান সরকারের সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) গঠিত হয়েছিল… এর সশস্ত্র শাখা ছিল শান্তি বাহিনী। ভারত তাদের আশ্রয় দিয়েছিল, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। যার ফলে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পাহাড়ে রক্তপাত হয়েছিল।” আরও দাবি করেন যে ‘শান্তি বাহিনী’র শান্তি চুক্তি ছিল ভাওতা।

Advertisement

অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আজমি বরাবর বিতর্কিত চরিত্র। সমাজমাধ্যমে নিয়মিত ভারতবিরোধী প্রচার চালান তিনি। সাম্প্রতিক মন্তব্য করলেন এমন সময়, যখন ভারত-বাংলাদেশের ভাঙা সম্পর্ক অল্পবিস্তর জোড়া লাগতে শুরু করেছে। উল্লেখ্য, জামাতের প্রাক্তন প্রধান গুলাম আজমের ছেলে আজমি। এই গুলাম আজম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দু এবং স্বাধীনতার পক্ষের বাঙালিদের গণহত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত যুদ্ধাপরাধী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.