সুকুমার সরকার, ঢাকা: ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। পাশাপশ একাধিক দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তিনি। এবার হত্যা মামলায় হাজিরার পরওয়ানা। ক্রমশ কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া। ২০১৫-র একটি হত্যা মামলায় বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জিয়াকে আদালতে হাজির থাকার নির্দেশ দেয় কুমিল্লার আদালত। ১০ এপ্রিল ওই মামলার শুনানিতে উপস্থিত থাকতে হবে জিয়াকে। রবিবার, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাইন বিল্লাহ।
[কন্যাশ্রীর অর্থে দুঃস্থ শিশুদের পড়াশোনার ব্যবস্থা, অভিনব উদ্যোগ কলেজ ছাত্রীর]
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে দেশজ জুড়ে সরকার বিরোধী বিক্ষোভ করে বিএনপি। দেশ জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দেন বিএনপি নেত্রী। তাঁর অভিযোগ ছিল, গণতন্ত্রের হত্যা করছে আওয়ামি লিগ সরকার। বিক্ষোভ চলাকালীন শুরু হয় হিংসা। একাধিক জায়গায় তাণ্ডব করে বিএনপ ও জামাতের সদস্যরা। ফেব্রুয়ারি মাসের তিন তারিখ হামলার মুখে পড়ে একটি যাত্রীবাহী বাস। চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুরে বাসটির উপর পেট্রলবোমা ছুড়ে বিএনপি সমর্থকরা। ওই হামলায় পুড়ে মারা যান আট যাত্রী। আহত হন ২০ জন।
পুলিশি তদন্তের পর ওই মামলায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। চার্জশিটে খালেদা জিয়া-সহ ৭৭ জনের নাম হত্যার অভিযোগ আনা হয়। ওই মামলায় বেগম জিয়া-সহ ছয় শীর্ষ বিএনপি নেতাকে তলব করেছে আদালত। এর আগে আদালতের সমন এড়িয়ে গিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। আপাতত ‘জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট’ দুর্নীতি মামলায় সাজা খাটছেন খালেদা। শনিবার তাঁকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দিন বিকেলেই ফের তাঁকে জেলে নিয়ে অসা হয়।
[‘চার আনা জ্ঞান নেই আপনাদের’, শুভব্রতর কথায় চিকিৎসকদের চক্ষু চড়কগাছ]
সর্বশেষ খবর
-
পরোয়া নয় ট্রাম্পকে, শান্তিচুক্তির শর্ত উড়িয়ে হরমুজে ‘টোল’ বসাচ্ছে ইরান! ছাড় নয় ভারতকেও?
-
বৃষ্টিভেজা রবিবাসরীয় সকালে মধুরেণ সমাপয়েৎ! গৌরীর সঙ্গে বিয়ে সেরে ‘হ্যাটট্রিক’ আমিরের
-
‘লাল পতাকাই জান’, গাড়িতে থাকবেই সিপিএমের প্রতীক! অনড় অ্যাপ ক্যাব চালক ফেরালেন যাত্রী
-
হবু স্ত্রীর হাতে ‘খুন’ নাতি, শোক সইতে না পেরে ১৬ দিনের মাথায় মৃত্যু কেতনের ঠাকুরদার
-
সেবাশ্রয় নিয়ে অভিষেকের নামে নয়া অভিযোগ ববির, নাম রয়েছে সুমিত-জাহাঙ্গিরেরও