রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধসে নিহত ১ শিশু, জখম ৫০০

অবশেষে ত্রাণকর্মীদের আশঙ্কাই সত্যি হল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৮

options
link
রোহিঙ্গা শিবিরে ভূমিধসে নিহত ১ শিশু, জখম ৫০০

সুকুমার সরকার, ঢাকা: অবশেষে ত্রাণকর্মীদের আশঙ্কাই সত্যি হল। বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবিরগুলিতে ভূমিধসের আশঙ্কা ত্রাণকর্মীরা আগে থেকে করছিলেন। গত তিনদিনের টানা বৃষ্টিতে কক্সবাজার জেলার টেকনাফের শরণার্থী শিবিরে ভূমিধসে অন্তত ৫০০ জন জখম হয়েছেন। ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার মধ্যে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাটির ঘরের দেওয়াল ধসে তিন বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জখম হয়েছেন তার মা। সোমবার সকালে উখিয়ার কুতুপালং ডি-রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ৮ নম্বর পাহাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

Advertisement
[জঙ্গিযোগে বন্ধ করা হল ৭টি মসজিদ, বিতাড়িত বেশ কয়েকজন ইমাম ]

গত শনিবার থেকে উখিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত শুরু চলছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়াও বইছে। শরণার্থীরা যেসব বাড়ি-ঘরে থাকেন, সেরকম অন্তত ৬০০ ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে ভূমিধসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার কারণে পরিস্থিতি এখন বদলেছে। টেকনাফের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক, জি-সেভেন ব্লক, বালুখালী ক্যাম্প, টেংখালি এসব এলাকায় ভুমিধস ঘটেছে। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের কারণে গত দু’দিন ধরে ঝোড়ো হাওয়া আর একটানা প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে দক্ষিণ-পূর্বের জেলা কক্সবাজারে। এই জেলার টেকনাফে বসবাস করছেন সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী। কুতুপালং ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গা শরণার্থীরা জানান, যাঁরা পাহাড়ের উপরে বা নিচে ঘর বেঁধেছিলেন তাঁরা জখম হয়েছেন। যাঁরা পাহাড়ের নিচে ঘর বানিয়েছেন তাঁরা এখন বন্যার কবলে পড়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সময় লাগবে, বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে জানাল মায়ানমার]

বর্ষার মরশুমে কয়েক লক্ষ মানুষ বিপদজনক অবস্থার মধ্যে পড়বে বলে আশংকা প্রথম থেকেই করা হচ্ছিল। কারণ সেখানে বন কেটে উজাড় করা হয়েছে। একই সাথে অনেকে বাস করছেন টিলা বা পাহাড়ের উপরে। আবার অনেকে বাস করছেন পাহাড়ের নিচে। ভূমিধস এবং বন্যার দুই দুর্যোগে কবলে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে তাঁদের। টেকনাফের স্থানীয় সাংবাদিক ওবায়দুল হক চৌধুরি জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপদ স্থানের ব্যবস্থা না করার কারণেই ভূমিধসে এমন ঘটনা ঘটেছে। টেকনাফের শরানার্থীদের জন্য যে ক্যাম্পগুলো তৈরি করা হয়েছে সেগুলো অস্থায়ী ত্রিপলের ছাউনি এবং বেড়া দিয়ে নির্মিত। রেড ক্রিসেন্ট বলছে, এখন সেখানে দুই লক্ষের মতো মানুষ ভূমিধসের ঝুঁকিতে রয়েছেন। বাংলাদেশের সরকার এর আগে বলেছিল রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালির ভাসানচরে একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ করছে তারা। বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ভাসানচরে সুনির্দিষ্ট মডেলে ঘরবাড়ি এবং সাইক্লোন শেল্টার নির্মান শুরু হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এক লক্ষ রোহিঙ্গা ভাসানচরে বর্ষার পর নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.