সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছাত্র আন্দোলনে উত্তাল বাংলাদেশ। গোটা দেশে কারফিউ। চূড়ান্ত বিপদ সংকেত পেয়ে সেখান থেকে যেভাবে পারছেন, সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ফিরছেন পড়ুয়া থেকে সাধারণ নাগরিক সকলে। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে দেশে ফেরা নিয়ে চূড়ান্ত অনিশ্চয়তায় পড়েছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার (Pabitra Sarkar)। তিনি সেখানে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে অশান্তির মাঝে আটকে পড়েছেন। কীভাবে ফিরবেন, তা নিয়ে উদ্বেগে পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, পবিত্রবাবু এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গত ১৮ জুলাই গিয়েছিলেন ঢাকায় (Dhaka)। তখনও অশান্তি চলছিল। সংরক্ষণ বিরোধিতায় পথে নেমে এসেছিল ছাত্র সমাজ। পুলিশের দমনপীড়নও শুরু হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা সঙ্গীন হবে, তা দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি কেউ। কিন্তু ১৯ তারিখ থেকে সেখানকার পরিস্থিতি কার্যত অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল। পথেঘাটে হানাহানি, রক্তপাত, মৃত্যু। আন্দোলনে যোগ দিতে গিয়ে একে একে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০। শনিবার গোটা দেশে জারি হয়ে গেল কারফিউ (Curfew)।
[আরও পডু়ন: একুশের প্রস্তুতি মঞ্চে তমলুকে হার নিয়ে প্রশ্ন মমতার, শুনেই কাঁদলেন দেবাংশু]
আর তার মাঝেই ঢাকায় আটকে পড়েন বর্ষীয়ান শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার। তপ্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) বন্ধ ইন্টারনেট। বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা। ফলে পরিবারের তরফে পবিত্রবাবুর সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁর মেয়ে জানান, শনিবার সকালে একবার যোগাযোগ হয়েছিল বাবার সঙ্গে। কিন্তু ইন্টারনেট (Internet) দুর্বল থাকায় ভালো করে তাঁর কথা শোনা যায়নি। কীভাবে ফিরবেন বাবা, তা এখনও জানেন না। ফলে চিন্তা বাড়ছে তাঁদের। এদিকে, ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনলাইন সংবাদমাধ্যমেও কোনও খবর মিলছে না। সবমিলিয়ে প্রতিবেশী দেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে চিন্তার ভাঁজ বাড়ছে এপার বাংলাতেও।
[আরও পডু়ন: একুশে জনারণ্য কলকাতা, বিশেষ ব্যবস্থা পাতাল পথে]
সর্বশেষ খবর
-
খেলতে গিয়ে সাঁতার না জেনেও নদীতে নামাই কাল! মর্মান্তিক পরিণতি দশম শ্রেণির ৩ পড়ুয়ার
-
৩ বছরের শিশুকন্যাকে ধর্ষণ করে খুন, আদাসতে ফাঁসির সাজা ৬৫-র বৃদ্ধকে
-
‘একটা সম্প্রদায় জোট বাঁধলে…’, গুন্ডাদমন আইন হলে উসকানিমূলক মন্তব্যের জেরে স্ক্যানারে মমতাও!
-
ড্রাগনের গ্রাসে অরুণাচল! চিনের বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ স্থানীয় আদিবাসীদের
-
সঞ্জয় লীলা বনশালির সেটেই কেন ৪ কর্মীর মৃত্যু? প্রযোজকের বিরুদ্ধে কড়া শাস্তির দাবি ফিল্ম সংগঠনের