সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দলের নেতা-কর্মীদের যোগাযোগ বন্ধ করতে এবার বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। দুটি অ্যাপ নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা চলছে বলে রবিবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উপদেষ্টারা। খুব শিগগিরই অথবা ফেব্রুয়ারিতে সাধারণ নির্বাচনের পর সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে পারে বলে খবর। সূত্রের খবর, টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ নিষিদ্ধ হতে পারে।
২০২৪-এ জুলাই অভ্যুত্থানের পর ধাপে ধাপে একসময়ে বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকা আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও দেখা গিয়েছে, আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীরা দলনেত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন, অনলাইন বৈঠকে অংশ নিচ্ছেন এবং রীতিমতো কার্যপদ্ধতি স্থির করে নিয়মিত দলীয় কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত আলোচনায় এসব জানানো হয়েছে। ঢাকায় গত বুধবার আওয়ামি লিগের ঝটিকা মিছিল থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে ২৪৪ জন। এর মধ্যে দেড়শোজন টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ ব্যবহার করেছেন বলে গোয়েন্দা সূত্রে খবর।
রবিবারের বৈঠকে জানানো হয়, সারা দেশে অনলাইন যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম টেলিগ্রাম ও বোটিম অ্যাপ ব্যবহার করে আওয়ামি লিগের নেতা–কর্মীদের সক্রিয় করা হচ্ছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভোটের সময় তাঁরা এভাবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দেশকে অস্থির করার চেষ্টা হতে পারে। বড়সড় ষড়যন্ত্রের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই অ্যাপ দুটির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউনুস সরকার। উল্লেখ্য, টেলিগ্রাম একটি জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ। রুশ বংশোদ্ভূত পাভেল দুরভ এর প্রতিষ্ঠাতা। অন্যদিকে বোটিম ব্যবহার করা হয় কথা বলা, ভিডিও কল এবং অর্থ লেনদেনের জন্য। এর প্রধান কার্যালয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। হাসিনার সঙ্গে দলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে এই দুটি অ্যাপকেই নিষিদ্ধ হতে চলেছে বাংলাদেশে।
সর্বশেষ খবর
-
নজরে পাহাড় সমস্যা, হাইভোল্টেজ ‘শাহী’ বৈঠকে মিলবে সমাধান?
-
মালদহ মেডিক্যালে ইঁদুর-রাজ! রোগীর পাশের বেডে রাখা ইঁদুর ধরার কল, কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী?
-
রুশ তেলবাহী জাহাজ চালানোয় ব্রিটেনে গ্রেপ্তার ভারতীয় ক্যাপ্টেন! ‘বলির পাঁঠা করা হয়েছে’, দাবি স্ত্রীর
-
ভারতে ভিনিদের ম্যাচ ‘বয়কটে’র ডাক বাইচুংয়ের, পালটা কী জবাব ব্রাজিলের ফুটবল কর্তার?
-
পঞ্চভূতে বিলীন হওয়ার ইচ্ছা, ধর্ম বদলে সমীরুদ্দিন হলেন সমীর