Lalgola

নথি ছাড়াই এদেশে বাস! সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ যাওয়ার চেষ্টার আগেই লালগোলায় গ্রেপ্তার ৩ রোহিঙ্গা

নাবালকদের হোমে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২৫, ১৬:০৮

options
link
নথি ছাড়াই এদেশে বাস! সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ যাওয়ার চেষ্টার আগেই লালগোলায় গ্রেপ্তার ৩ রোহিঙ্গা
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই ভারতে প্রবেশ! বিএসএফ জওয়ানদের নজর এড়িয়ে বাংলাদেশে ফেরার আগেই গ্রেপ্তার ৩ রোহিঙ্গা। তাঁদের সঙ্গে আরও চার নাবালকও রয়েছে বলে খবর। ধৃত তিনজনের নাম আবদুল হাসিম, তাঁর স্ত্রী রোজিনা বেগম ও ছেলে বিলাল মিঞা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের লালগোলায়। ধৃতদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের লালগোলার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী আষিড়াদহ গ্রাম থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল, বুধবার রাতে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার পুলিশ ওই গ্রামে হানা দেয়। তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কথায় বেরিয়ে পড়ে একাধিক অসঙ্গতি। তাঁদের থেকে ভারতে থাকার কোনও বৈধ কাগজপত্রও মেলেনি বলে খবর।

Advertisement

পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ধৃতরা আদতে মায়ানমারের বাসিন্দা। ওই রোহিঙ্গারা প্রথমে বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। পরে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে কাজের জন্য ভারতে আসা। কয়েক বছর ধরে তাঁরা ভারতেই থাকছিলেন বলে খবর। এরপরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। ভগবানগোলার মহকুমা পুলিশ আধিকারিক বিমান হালদার বলেন, “আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা মায়ানমারের বাসিন্দা বলে স্বীকার করেন। কিন্তু কোনও বৈধ নথি না থাকায় আবদুল হাসিম, তাঁর স্ত্রী রোজিনা বেগম ও ছেলে বিলাল মিঞাকে গ্রেপ্তার করা হয়।” জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, ধৃতরা কয়েক বছর আগে লালগোলা সীমান্ত হয়ে এদেশে অনুপ্রবেশ করে ভিনরাজ্যে কাজ করতে যায়। বুধবার বাংলাদেশ হয়ে মায়ানমার ফেরার উদ্যেশ্যে লালগোলা থানার আষিড়াদহ গ্রামে লুকিয়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ধৃতদের গ্রেপ্তার করে।

Advertisement

ধৃতদের আজ, বৃহস্পতিবার লালবাগ মহকুমা আদালতে তোলা হয়। বিচারক তাঁদের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই তিনজনের সঙ্গে আরও চার নাবালকও ছিল। তাঁদেরও কোনও নথিপত্র পাওয়া যায়নি। নাবালকদের হোমে পাঠানো হয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.