সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) গড়ে বিজেপিতে ভাঙন। এবার তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নিলেন পশ্চিম মেদিনীপুর বিজেপির (BJP) স্পোর্টস সেলের জেলা সম্পাদক-সহ আরও ৭০ জন। বিধানসভা নির্বাচনের মুখে লাগাতার দলত্যাগ চিন্তা বাড়াচ্ছে বিজেপির।
শুক্রবার খড়গপুর ইন্দা পেট্রোল পাম্পের কাছে একটি সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সেখানেই দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন কমপক্ষে ৭০ জন বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী। বিধানসভা ভোটের আগে খোদ দিলীপ ঘোষের গড়ে দলের শক্তিবৃদ্ধি আশা জোগাচ্ছে শাসকদলকে। তবে দলত্যাগের বিষয়কে গুরুত্ব দিতে নারাজ স্থানীয় বিজেপি নেতারা। রাজ্যজুড়ে লাগাতার দলত্যাগের প্রভাব কতটা পড়ছে বিজেপি শিবিরে, তা বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে স্পষ্ট হবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে শুধু দলত্যাগ নয়, এদিন বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন বাম বিধায়ক স্বদেশ নায়েক। এদিন রাজ্য বিজেপির দপ্তরে দলীয় পতাকা হাতে তুলে নেন তিনি। মনে করা হচ্ছে, আসন্ন নির্বাচনে রামনগর থেকে বিজেপির প্রতীকে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।
[আরও পড়ুন: ৩ নাবালক বন্ধুর হাতে খুন চতুর্থ শ্রেণির পড়ুয়া? গঙ্গা থেকে দেহ উদ্ধারে ঘনীভূত রহস্য]
উল্লেখ্য, গত মাসের শেষে খড়গপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি শ্রমিক সংগঠনের ৫০ জন নেতা-কর্মী যোগ দেন তৃণমূলে। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষুদ্ধ হয়েই দলত্যাগের ঘটনা বলে জানিয়েছিল মন্ত্রী। তবে দিলীপ ঘোষ দাবি করেছিলেন, প্রলোভন দেখিয়েই বিজেপি কর্মীদের দলে টানছে শাসকদল। শুধু খড়গপুরই নয়, শেষ কয়েক মাসে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর-সহ বিভিন্ন জেলার হাজার হাজার বিজেপি কর্মী হাতে তুলে নিয়েছেন শাসকদলের পতাকা। কোথাও কোথায় দাপুটে নেতারাও দলত্যাগ করেছেন। যা বিজেপির জন্য মোটেও ইতিবাচক ইঙ্গিত নয় বলেই দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।
[আরও পড়ুন: কর্মিসভা থেকে মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘অপদার্থ’ বলে কটাক্ষ, ফের বিতর্কে অনুব্রত]
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!