বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সিভিক ভলানটিয়ার

বিয়েতে ৫ লক্ষ টাকা দাবি সিভিকের!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৮, ১৩:২১

options
link
বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন ধর্ষণ, গ্রেপ্তার সিভিক ভলানটিয়ার

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: কখনও যান নিয়ন্ত্রণের নামে গাড়িচালককে মারধর, কখনও জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গা-জোয়ারি। সিভিক ভলানটিয়ারদের বিরুদ্ধে অভিযোগের তালিকা ক্রমশ দীর্ঘ হচ্ছে। সম্প্রতি বীরভূমের লোকপুর স্বাস্থ্যকেন্দ্রে দেখা যায় এক সিভিক কর্মী চিকিৎসকের কাজ করছেন। এবার ওই জেলায় দেখা গেল সিভিকের দাদাগিরি। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে দিনের পর দিন সহবাস। মেয়ের বাড়ি থেকে চাপ দিলে বিয়ে করতে অস্বীকার করল এক যুবক। চন্দ্রপুর থানায় কর্মরত ওই সিভিক  ভলানটিয়ারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

Advertisement

[চুরি করতে এসে ভোটার কার্ড ফেলে উধাও, পুলিশের জালে চোর]

Advertisement

ধৃতের নাম ভবানী প্রসাদ মালি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চন্দ্রপুর থানার লাউজোড় গ্রামে ভবানী ও তার প্রাক্তন প্রেমিকার বাড়ি। গত চার বছর ধরে লাউজোড় গ্রামের বছর কুড়ির একটি মেয়ের সঙ্গে তার প্রণয়ঘটিত সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সিভিক পুলিশ ভবানী বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয় বলে মেয়েটির পরিবারের দাবি। সেই আশ্বাসে দুজনের শারিরীক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের নাম করে দিনের পর দিন তাঁকে ধর্ষণ করে বলে নির্যাতিতা মেয়েটির দাবি। তরুণীর পরিবার ইতিমধ্যে জানতে পারে ওই সিভিক ভলানটিয়ার অন্যত্র বিয়ের সম্বন্ধ শুরু করেছে। এরপর তারা ভবানীকে বিয়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। এরপরও সিভিক পুলিশ বিয়ে করতে অস্বীকার করে। অবস্থা বেগতিক দেখে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। নির্যাতিতার বক্তব্য, “দিনের পর দিন আমরা সঙ্গে সহবাস করেছে ভবানী। ২০১৬ সালে মিথ্যা রেজিস্ট্রিও করে। এমনকী বিয়ে করবে বলে আমার পরিবারের কাছ থেকে ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা নেয় ভবানীর পরিবার।” এখানেই শেষ হয়নি লাঞ্ছনা। অভিযোগ, এরপরও ভবানীর পরিবারের  পক্ষ থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা নগদ ও ৫ ভরি সোনা দাবি করা হয়। মেয়েটির পরিবার জানিয়ে দেয় বিপুল অঙ্কের অর্থ দেওয়ার তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। নির্যাতিতার দাবি, এরপরই প্রেমের মুখোশ খুলে ফেলে ভবানী। সিভিক ভলানটিয়ার জানিয়ে দেয় সে বিয়ে করতে পারবে না।

Advertisement

[ছেলে দেখে না, অশীতিপর বৃদ্ধার দেখাশোনার ভার নিলেন ছয় কলেজ পড়ুয়া]

মেয়েটির পরিবারের দাবি এই নিয়ে পুলিশে গেলেও ফল ভাল হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেয় ভবানী।যেহেতু সে সিভিকে কাজ করে, তাই ওই কাজ দেখিয়ে জানায় তাকে কেউ ছুঁতে পারবে না। এরপরই নির্যাতিতার পরিবার আইনের দ্বারস্থ হয়। পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

ছবি: বাসুদেব ঘোষ

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.