বাবুল হক, মালদহ: গরু পাচারের প্রতিবাদের ‘শাস্তি’। স্থানীয় দুষ্কৃতীদের হাতে প্রাণ গেল বছর ৪৮-এর কৃষকের। ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের ( Maldah) কালিয়াচকের দুইশতবিঘি এলাকায়। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তির দাবিতে সরব মৃতের পরিবার।
জানা গিয়েছে, মৃতের নাম শ্যামাচরণ মণ্ডল। স্ত্রী অনিতা ও চার সন্তানকে নিয়ে তাঁর সংসার। পরিবার সূত্রে খবর, বিগত কয়েকবছর ধরে এলাকারই বাসিন্দা গৌরচাঁদ সিংহ, জয়রাম সিংহ, অনুপ সিংহ, অমর সিংহ-সহ বেশ কয়েকজন তাঁদের বাড়ি পাশ দিয়ে কখনও গরু কখনও ফেনসিডিল পাচার করত। বারবার বারণ করা সত্ত্বেও কোনও কথা শোনেনি তারা। বুধবার রাতেও তাঁদের বাড়ির পাশ দিয়ে এলাকারই দুষ্কৃতীরা গরু পাচার করছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় তাঁদের বাধা দেন শ্যামচরণ। এরপরই তাঁর উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। তাঁকে ইট, পাথর, বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এরপর আহত অবস্থায় শ্যামচরণকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মালদা মেডিক্যালে পাঠানো হয়। সেখানে যেতেই জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শ্যামচরণকে মৃত বলে ঘোষণা করে। রাতেই কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ করেন মৃতের পরিবার। এখনও পর্যন্ত তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ভোটের আগে বেআইনি অস্ত্র-সহ ধৃত বিজেপি নেতা, অবরোধ-পালটা পুলিশের লাঠিচার্জে রণক্ষেত্র খড়দহ]
মৃতের ছেলে প্রসেনজিৎ মণ্ডলের কথায়, “আমার বাড়ির পাশে অনন্তপুর বর্ডার। এখান দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই দুষ্কৃতীরা বেআইনি পাচার করে আসছে। গতকাল গভীর রাতে গরু পাচার করছিল অভিযুক্তরা। আমার বাবা বাধা দিতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। মারধরের জেরে মৃত্যু হয়েছে বাবার।” পুলিশ জানিয়েছে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দ্রুতই বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
[আরও পড়ুন: নমুনা পরীক্ষা বাড়লেও বাংলায় সামান্য কমল দৈনিক সংক্রমণ, ঊর্ধ্বমুখী সুস্থতার হার]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’