তথ্য জালিয়াতি করে এসটি সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন জঙ্গিপুরের (Jangipur) ৮ ভাই-বোন। প্রত্যেকেই এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত। তিনজন অধ্যাপক। দু’জন আবার চিকিৎসক। বাকিরাও নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। ৩১ জুলাই এসটি সার্টিফিকেট যাচাইকরণের জন্য তাদের জঙ্গিপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে ডাকা হয়। সেখানে সব তথ্য খতিয়ে দেখার পর এসটি সার্টিফিকেটগুলি বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ফরাক্কার আইনুল হক ইমামনগর পঞ্চায়েতের তুলসীপুকুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। বর্তমানে তিনি ফরাক্কা থানার বেওয়া-২ পঞ্চায়েতের তিলডাঙ্গা গ্রামে থাকে। আইনুল ঝাড়খণ্ডের একটি সরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। অবসর নিয়েছেন। আইনুলের আট ছেলেমেয়ে। তিন ছেলে, পাঁচ মেয়ে। ২০০৫ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে তাঁরা সকলেই জঙ্গিপুর মহকুমা শাসকের থেকে এসটি সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন।
জানা গিয়েছে, আইনুল হক ও তাঁর পরিবার প্রকৃতপক্ষে ওবিসি সম্প্রদায়ের। অভিযোগ, তথ্য জালিয়াতি করে তাঁর আটজন ছেলেমেয়ে নিজেদের বেদিয়া বলে দাবি করে এসটি সার্টিফিকেট পেয়েছে। এ ব্যাপারে জঙ্গিপুর মহকুমাশাসকের কাছে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আটজনকে হিয়ারিং নোটিস পাঠানো হয়। সমস্ত নথিপত্র নিয়ে তাঁরা হাজির হন। মহকুমা শাসক নথিপত্র দেখার পর গত ৩১ জুলাই তাঁদের এসটি শংসাপত্র বাতিল করেছেন।
জানা গিয়েছে, যাঁদের শংসাপত্র বাতিল হয়েছে তাঁদের মধ্যে একজনের নাম উম্মে কুলসুম। তিনি রাক্কা চক্রের ভৈরবডাঙা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে কলকাতার বঙ্গবাসী কলেজে বায়ো-সায়েন্সের সহকারী অধ্যাপক।একজন বীরভূমের মুরারই কলেজের অধ্যাপক,একজন কলকাতার একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যাপক। দু’জন আবার চিকিৎসক। এই ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল ছড়িয়েছে এলাকায়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মাথার দাম ১ কোটি, বঙ্গেই গা ঢাকা! মদনকে জেরায় মাওবাদী নেতা আকাশের তথ্য পেল পুলিশ
-
ভবানীপুরে বিজেপি কর্মীকে মারধর, মাকে শ্লীলতাহানি! পুলিশের জালে তৃণমূল নেতা
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ