রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: বিবাহবার্ষিকীতে বাড়িতে আসেননি ফরেস্ট রেঞ্জার স্বামী। সেই অভিমানে চরম সিদ্ধান্ত নিলেন স্ত্রী। ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে বধূর ঝুলন্ত দেহ। ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ারে। ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।
জানা গিয়েছে, মৃতার নাম শিল্পী দে সরকার। তাঁর স্বামী সজল দে। তিনি গরুমারা জাতীয় উদ্যানে রেঞ্জার পদে কর্মরত। দম্পতির একটি ১২ বছরের মেয়ে আছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার বিবাহবার্ষিকী ছিল দম্পতির। স্বাভাবিকভাবেই বিশেষ দিনটিকে আরও বিশেষ করে তুলতে নানারকম প্ল্যান করেছিলেন শিল্পী। অপেক্ষা করছিলেন স্বামীর বাড়ি ফেরার। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা রাত ১২ টা পেরলেও তিনি ফেরেননি। অবসাদ গ্রাস করে শিল্পীকে।
শুক্রবার ভোরে দে বাড়িতে কাজ করতে যান পরিচারিকা। দেখেন, ঘরে ঝুলছে শিল্পীর দেহ। সঙ্গে সঙ্গে তিনি খবর দেন প্রতিবেশীদের। খবর পেয়েই বাড়িতে ছুটে যান সজল। খবর দেওয়া হয় থানায়। ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, অভিমানে আত্মঘাতী হয়েছেন বধূ। মৃতার স্বামী জানিয়েছেন, আচমকাই জাতীয় উদ্যানে হাতিমৃত্যুর খবর মেলে। সেই কারণেই বাড়ি ফিরতে পারেননি তিনি। তবে তার পরিণতি যে এতটা ভয়ংকর হতে পারে, ভাবেননি সজল।
সর্বশেষ খবর
-
যন্তর মন্তর অতীত, এবার দেশজুড়ে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা ‘আরশালো’দের, ফের বিক্ষোভের ছক?
-
ব্রিকসের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক সফরেও তারেককে আমন্ত্রণ! হাসিনা-হাদি নিয়ে মন্তব্য দিল্লির
-
SIR-এ বাদ প্রকাশ রাজের নাম! ‘এবার খেলা হবে’, চ্যালেঞ্জ অভিনেতার
-
শিবভক্তদের জন্য অনুষ্ঠানে নর্তকীকে কোলে তুলে নাচ বিজেপি কর্মীদের! বরানগরে শুরু বিতর্ক
-
‘ফ্রিজ’ আরও ৪ অ্যাকাউন্ট থেকে লেনদেনের অনুমতি দেওয়া হোক! ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ কালীঘাট তৃণমূল