অজয় নদ থেকে উদ্ধার প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি

কষ্ঠিপাথরের মূর্তি ঘিরে চাঞ্চল্য মঙ্গলকোটে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০১৯, ১৫:১৩

options
link
অজয় নদ থেকে উদ্ধার প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি

ধীমান রায়, কাটোয়া: নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে মঙ্গলকোটের অজয় নদ থেকে উদ্ধার হল প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন বিষ্ণুমূর্তি। বর্তমানে মঙ্গলকোটের ব্রহ্মপুর গ্রামে একটি মন্দিরে রক্ষিত থাকা এই কোষ্ঠীপাথরের বিষ্ণুমূর্তিটিকে দেখতে ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয়রা। মূর্তিটি সংগ্রহশালায় সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

Advertisement

[ত্রিশূল হাতে রাম নবমীর মিছিল, লকেটের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের পুলিশের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলকোটের বহ্মপুরে গ্রামের বাসিন্দা সুজিত ঘোষ (১৫) নামে এক কিশোরের হাতেই অজয় নদ থেকে রবিবার দুপুর নাগাদ উদ্ধার হয় এই বিষ্ণুমূর্তিটি। সুজিত শ্যামবাজার ডিএন হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র। সে জানায়, এইসময় জল কম থাকায় রোজ সে গ্রামের পাশে অজয় নদে মাছ ধরতে যায়। সুজিত কোমরজলে নেমে মাছ ধরার ফাঁদ চোঙা ফেলে দিয়ে আসে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর চোঙা তোলে। চোঙায় যেসব মাছ পড়ে তা নিয়ে এসে চোঙাটি জলেতেই ডুবিয়ে দিয়ে আসে।সুজিত বলে, “দিন তিন-চার ধরেই নদীতে নামার পর পায়ে কিছু একটা ঠেকছিল। প্রথমে ভয় লেগেছিল। তাই বেশি কৌতূহল না দেখিয়ে চলে আসি। তারপর রবিবার একই জায়গায় পায়ে শক্ত কিছু ঠেকলে সাহস করে জলে ডুব দিয়ে তোলার চেষ্টা করি। দু’-তিন বারের চেষ্টায় তোলার পর দেখি নারায়ণের মূর্তি।”

Advertisement

নদী থেকে তোলার পর সুজিত প্রায় দু’ফুট উচ্চতার মুর্তিটি গ্রামে নিয়ে আসে। সুজিতের পরিবার নিজেদের কাছে মুর্তিটি না রেখে গ্রামবাসী নির্মল ঘোষের দুর্গামন্দিরে রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। রবিবার থেকেই মুর্তিটির পূজোর্চনা শুরু করা হয়েছে। বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ ড: সর্বজিৎ যশ বলেন, “মূর্তিটি কষ্ঠিপাথরের বলে মনে হচ্ছে। ১০০০ বছরেরর পুরানো।”

[রাম নবমীতে গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত রানিগঞ্জ, বোমাবাজিতে হাত উড়ল ডিসি-র]

ছবি: জয়ন্ত দাস

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.