Annapurna Bhandar

এখনও ঢোকেনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা! হাবড়া পুরসভায় ভাঙচুর, বিক্ষোভ শতাধিক মহিলার

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুন মাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও জুলাই মাসে বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ২০:৫৩

options
link
এখনও ঢোকেনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা! হাবড়া পুরসভায় ভাঙচুর, বিক্ষোভ শতাধিক মহিলার
অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্মে এবার পাওয়া যাবে 'এডিট' অপশন। ছবি: এআই দ্বারা নির্মিত

জুলাই মাস চললেও এখনও অ্যাকাউন্টে আসেনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন উপভোক্তারা। শুধু তাই নয়, হাবড়া পুরসভায় ঢুকে রীতিমতো চলল বিক্ষোভ। এমনকী অর্থ বিভাগের দপ্তরে ভাঙচুরের অভিযোগ কয়েকশো মহিলার বিরুদ্ধে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় হাবড়া থানার পুলিশ। কোনও রকমে পরিস্থিতি সামাল দেন পুলিশ আধিকারিকরা।

Advertisement

পুরসভার আধিকারিক মিঠুন মজুমদার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, আবেদনকারীদের তথ্য পোর্টালে আপলোড করা ছাড়া পুরসভার আর কোনও ভূমিকা নেই। আবেদন অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের। বাতিলের কারণও পুরসভার জানা নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জুন মাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও জুলাই মাসে বহু উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েনি। পাশাপাশি অনেকের মোবাইলে আবেদন ‘রিজেক্টেড’ দেখাচ্ছে বলে অভিযোগ। এর জেরে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মহিলারা এদিন পুরসভায় পৌঁছে বিষয়টি নিয়ে জবাবদিহি চান। অভিযোগ, স্পষ্ট উত্তর না মেলায় তীব্র বিক্ষোভের পরিস্থিতি তৈরি হয়। পরে তাঁরা অর্থ বিভাগের দপ্তরের গেলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে না পেয়ে ক্ষোভ আরও বাড়ে। তখনই দপ্তরে ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভকারী শুভশ্রী মজুমদার পালের দাবি, কোনও কারণ না জানিয়ে বহু আবেদন বাতিল করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুরসভারও ভূমিকা রয়েছে। যদিও পুরসভার আধিকারিক মিঠুন মজুমদার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, আবেদনকারীদের তথ্য পোর্টালে আপলোড করা ছাড়া পুরসভার আর কোনও ভূমিকা নেই। আবেদন অনুমোদন বা বাতিলের সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের। বাতিলের কারণও পুরসভার জানা নেই।

Advertisement

তবে শুধু হাবড়া নয়, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এহেন অভিযোগ সামনে আসছে। যদিও অনেকক্ষেত্রেই স্থানীয়স্তরে গাফিলতির অভিযোগ উঠছে। এহেন অভিযোগে সম্প্রতি ধূপগুড়ি পুরসভার কর্মীকে শোকজ করা হয়েছে। স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে পুরসভার ৩২ জন কর্মীকে শোকজ করেছেন মহকুমা শাসক। অভিযোগ, ধূপগুড়ি পুর এলাকার বহু মহিলা সরকারি প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ৩ জুলাই শুক্রবার সন্ধ্যায় পুরসভায় ৩২ জন কর্মীকে শোকজ করেন মহকুমা শাসক। কেন গাফিলতি তাঁর ব্যাখা লিখিত আকারে চেয়েছেন মহকুমা শাসক। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.