Canning

সাপে না কামড়ালেও অ্যান্টিভেনাম ইঞ্জেকশন! মুহূর্তেই মৃত্যু ক্যানিংয়ের খুদের

হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৫, ১৫:৩০

options
link
সাপে না কামড়ালেও অ্যান্টিভেনাম ইঞ্জেকশন! মুহূর্তেই মৃত্যু ক্যানিংয়ের খুদের
প্রতীকী ছবি।

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: বিছানায় বালিশের তলা থেকে পাওয়া গিয়েছে একটি সাপ। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বিছানায় ঘুমিয়ে থাকা ছেলে আসিফ সর্দার ও মেয়ে আসিফাকে সাপে কামড়েছে। তবে দু’জনেরই শরীরে কোথাও সাপে কামড়ানোর চিহ্ন পায়নি। শুধু সন্দেহের বশেই নিয়ে যাওয়া হয় ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। দুই ভাইবোনের চিকিৎসা শুরু হয়। খুদেকে অ্যান্টিভেনাম দেওয়া হয়। আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু খুদের। চোখের জল ভাসছে পরিবার। হাসপাতালের ভূমিকাতেও উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

আসিফ সর্দারের বয়স তিন বছর। শিশুকন্যা বছর আটেকের। দু’জনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার জীবনতলা থানার দাহারানি এলাকার বাসিন্দা। বছর আটেকের শিশুকন্যা কোথাও জ্বালা যন্ত্রণা হচ্ছে, তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিংবা পরিবারের কাউকে না জানায়নি। পরিবারের লোকজনের দাবি, তা সত্ত্বেও আসিফার হাতে চ্যানেল করা হয়। তাকে শেষপর্যন্ত তাকে অ্যান্টিভেনাম দেওয়া হয়নি। ফলে বেঁচে যায় সে। নিহত খুদে এখনও স্পষ্ট করে কথা বলতে পারত না। তবে কান্নাকাটি না করার পরেও কেন আচমকা অ্যান্টিভেনাম দেওয়া হল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

মৃত শিশুর বাবা আলমগীর সর্দার বলেন, “রবিবার সকালে ছেলেমেয়ের বিছানার মধ্যে একটি সাপ দেখতে পান। তারপর সাপটি চলেও যায়। কিন্তু তাদের শরীরে সাপে কামড়ানোর কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। আমরা ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাই। এমন ঘটনা ঘটবে তা কল্পনাও করতে পারিনি।” পরিবারের আত্মীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসার গাফিলতিতে মৃত্যু হয়েছে খুদের। শিশুটির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.