পাসপোর্ট পরীক্ষার নামে অন্তঃসত্ত্বাকে হেনস্তা, থানায় অভিযোগ দায়ের স্বামীর

অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে ভরতি করতে হয় গৃহবধূকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১, ২০১৮, ১৫:০৫

options
link
পাসপোর্ট পরীক্ষার নামে অন্তঃসত্ত্বাকে হেনস্তা, থানায় অভিযোগ দায়ের স্বামীর

সোমনাথ পাল, বনগাঁ: পাসপোর্ট পরীক্ষার নামে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে হেনস্তার অভিযোগ উঠল অভিবাসন দপ্তরের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে। প্রখর গরমে প্রায় ছ’ঘণ্টা তাঁকে দাঁড় করিয়ে রাখায় অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই মহিলা। অবশেষে পুলিশি সহায়তায় অন্তঃসত্ত্বা ওই গৃহবধূকে বনগাঁ মহাকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Advertisement

[সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন প্রেমিকার নগ্ন ছবি পোস্ট করে ধৃত যুবক]

শনিবার দুপুরে ভারত-বাংলাদেশের পেট্রাপোল সীমান্তে এই অমানবিক ঘটনাটি ঘটেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ অর্পিতা দাশগুপ্ত কলকাতার বালিগঞ্জের বাসিন্দা। তাঁর বাপের বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকায়। এক বছর আগে বালিগঞ্জের বাসিন্দা আনন্দ দাশগুপ্তর সঙ্গে অর্পিতাদেবীর বিয়ে হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। স্ত্রী অর্পিতাকে নিয়ে বাংলাদেশে শ্বশুরবাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলেন আনন্দবাবু। শনিবার বাংলাদেশ থেকে ফিরছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, পেট্রাপোল অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক স্বপন দফাদার পাসপোর্ট পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অন্তঃসত্ত্বা ওই গৃহবধূকে ইচ্ছাকৃতভাবে হেনস্তা করেন। প্রচণ্ড গরমে সকাল সাতটা
থেকে দুপুর দু’টো পর্যন্ত তাঁকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। তার জেরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই মহিলা। রক্তক্ষরণ শুরু হয় তাঁর। ওই গৃহবধূ ও তাঁর স্বামীর অভিযোগ, অভিবাসন দপ্তরের ওই আধিকারিক তাঁদের কাছে ঘুষ চেয়েছিলেন। না দেওয়ার কারণেই হেনস্তা করেন তিনি। পুলিশ সূত্রে খবর, আনন্দবাবুর পাসপোর্ট ভারতীয় হলেও অর্পিতাদেবীর পাসপোর্টটি বাংলাদেশের। সে কারণেই আইনি জটিলতা দেখিয়ে অর্পিতাদেবীর পাসপোর্ট আটকে রাখেন ওই আধিকারিক। ওই গৃহবধূর অসুস্থতার কথা জানা সত্ত্বেও নানা অজুহাতে অপ্রাসঙ্গিক কথা বলে হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[কমিশনের সঙ্গে বিবাদে সর্বদল বৈঠক বয়কট, ফের হাই কোর্টে যাচ্ছে বিজেপি]

এমনকী ওই আধিকারিক অর্পিতার পাসপোর্ট ইচ্ছা করে ছিঁড়েও দেন বলে দাবি ওই দম্পতির। আনন্দবাবু সমস্ত পরিচয় দিলেও প্রায় ছ’ঘণ্টা তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। শেষমেশ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ঘটনার খবর পেয়ে ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসে পেট্রাপোল থানার পুলিশ। অর্পিতাদেবীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। অভিযুক্ত অভিবাসন দপ্তরের অধিকারিক ও কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে পেট্রাপোল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূর স্বামী।

Advertisement

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.