সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেন্দ্রের তরফে বারবার বলা হয়েছিল, সিএএ (CAA)-তে আবেদন করলে বাংলাদেশি মুসলিম বাদে সবধর্মের মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সেই ঘোষণা মেনেই আবেদন করেছিলেন নদিয়ার বাসিন্দা এক ‘বাংলাদেশি’ দম্পতি। একমাসের মধ্যেই ভারতের নাগরিকত্ব পেলেন তাঁরা। এসআইআর আবহে শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন দম্পতি।
জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বাসিন্দা ছিলেন লাতুরাম সিকদার ও পদ্ম সিকদার। জানা যাচ্ছে, কট্টরপন্থীদের অত্যাচারে বাধ্য হয়ে বছর কয়েক আগে বেআইনি পথে ভারতে চলে আসেন তাঁরা। আশ্রয় নেন নদিয়ায়। পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন তাহেরপুরের কামগাছি জয়পুরে। এদেশে এসে অবৈধ উপায়ে আধার কার্ডও বানিয়ে ফেলেছিল তাঁরা। সম্প্রতি রাজ্যে চালু হয়েছে এসআইআর। ভোটার লিস্ট বাছাইয়ের কাজ চলছে পুরোদমে। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার লিস্টে যদি নিজের বা পরিবারের কারও নাম না থাকে তাহলে সমস্যায় পড়তে হতে পারে। অনেকেই দেশছাড়া হওয়ার ভয় পাচ্ছেন। ২০০২ সালের তালিকায় স্বাভাবিকভাবেই নাম নেই লতুরাম ও পদ্মদেবীর। সেই কারণেই কেন্দ্রের নির্দেশ মেনে সিএএ-র আবেদন করেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, অক্টোবরে আবেদন করে ১৯ নভেম্বরই নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়েছেন তাঁরা। এবার তাঁরা নিশ্চিন্ত। আর বাংলাদেশি বলে দাগিয়ে ভারত ছাড়া করতে পারবে না কেউ। এ প্রসঙ্গে লাতুরাম বলেন, “অত্যাচারে বাধ্য হয়ে এক কাপড়ে চলে এসেছিলাম। এদেশেই বড় হয়েছি। এসআইআরে কী হবে চিন্তা ছিল। কিন্তু কেন্দ্র সরকার কথা রেখেছে। সিএএতে আবেদন করেছিলাম। নাগরিকত্বের নথি পেয়েছি।” এপ্রসঙ্গে রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথী চ্যাটার্জি বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলেছি আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। এই দুই দম্পতি নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আগামী দিনে যারা আবেদন করবেন তারা ও নাগরিকত্ব পাবেন।”
সর্বশেষ খবর
-
‘কলকাতা দেখব মামা’, আবদার করেই তারাতলার বহুতলের ছাদে, আর ফেরা হল না মামা-ভাগ্নের
-
লাইভ সার্জারি থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ডিসানে হিস্টেরোস্কোপির মাস্টারক্লাস
-
অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিতের ‘বন্ধু’কে আটক করল পুলিশ, কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা
-
কেতন হত্যাকাণ্ডে মা-বাবাকে দোষারোপ! পুণের হাড়হিম কাণ্ডে সমাজের সম্মুখে আয়না ধরলেন কঙ্গনা
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস