Bankura TMC l

বাড়ি থেকে প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে গেল কলকাতা পুলিশ, জালিয়াতির অভিযোগ?

মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে দাবি পরিবারের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০২৩, ১৫:৪১

options
link
বাড়ি থেকে প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে গেল কলকাতা পুলিশ, জালিয়াতির অভিযোগ?
আটক তৃণমূল নেতা। নিজস্ব চিত্র।

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: এবার প্রাক্তন তৃণমূল নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেল কলকাতা পুলিশ। সূত্রের খবর, জালিয়াতির অভিযোগে বাঁকুড়ার সিমলাপাল পঞ্চায়েতের প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষকে আটক করে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। যদিও প্রাক্তন তৃণমূল নেতার স্ত্রীয়ের দাবি, স্বামীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তন তৃণমূল নেতা অনিরুদ্ধ সৎপতিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় বউবাজার থানার পুলিশ। রবিবার তাঁকে সিমলাপাল থানার আঁকড় গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, অনিরুদ্ধ তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই ওই দলে ছিলেন। এমনকী, ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সিমলাপাল পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলেছেন। যদিও সম্প্রতি কয়েক বছর প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। সূত্রের খবর, প্রাক্তন তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জালিয়াতি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বড়দিনে বড় একা মালাইকা! আরবাজের বিয়ে সম্পন্ন, লন্ডনে অর্জুন, প্রেমিকার দুর্দিনেও পাশে নেই!]

আটক প্রসঙ্গে অনিরুদ্ধ সৎপতির স্ত্রী সাগরিকা সৎপতির দাবি জানিয়েছেন, তাঁর স্বামীকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। শুধুমাত্র চাষাবাদ করেই তাঁদের সংসার চলে। এ বিষয়ে বিজেপির তালডাংরা মণ্ডল-৩ সভাপতি আলোক মোহান্তির দাবি, “নিয়োগ দুর্নীতিতে শাসকদলের রাঘব বোয়ালদের কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের হাত থেকে বাঁচাতেই প্রাক্তন কর্মাধ্যক্ষকে পুলিশ আগেভাগে নিজেদের হেফাজতে নিল।” যদিও ঠিক কী কারণে আটক করা হয়েছে, তা নিয়ে পুলিশের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বও এ নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেনি। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: জন্মের পর থেকেই অসুস্থ সন্তান, অবসাদে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে ‘আত্মঘাতী’ মা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.