Koustav Bagchi

পুজোর চারদিন ‘স্পেশাল ক্যান্টিন’, দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ কৌস্তভের

বিনামূল্যে বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্রের একাধিক জায়গায় চলবে এই ক্যান্টিন, বিস্তারিত জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক।

অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৬:৪৪

options
link
পুজোর চারদিন ‘স্পেশাল ক্যান্টিন’, দরিদ্রদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশেষ উদ্যোগ কৌস্তভের
পূজোর চারদিন 'স্পেশাল এমএলএ ক্যান্টিন', উদ্যোক্তা বারাকপুরের বিধায়ক কৌস্তব বাগচী

বাঙালির সেরা উৎসবে সকলকে শামিল করতে নয়া উদ্যোগ বারাকপুরের তরুণ বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচীর (Koustav Bagchi)। দুর্গাপুজোর চারটি দিন দরিদ্র, অভাবী মানুষের মুখে ভালো খাবার তুলে দিতে বিধানসভা এলাকায় চলবে ‘পুজো স্পেশাল এমএলএ ক্যান্টিন’। বারাকপুর ও টিটাগড়ের বিভিন্ন জায়গায় চলবে এই ক্যান্টিন। সারাবছর যাঁরা ভালো খাবার খেতে পান না, সেসব অভাবী মানুষজনকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হবে এই ক্যান্টিন থেকে। এমনই জানিয়েছেন কৌস্তভ। দুর্গাপুজোকে উপলক্ষ করে জনসেবারর জন্য এর চেয়ে ভালো উপায় আর কী-ই বা হতে পারে?

Advertisement

এনিয়ে কৌস্তভ বাগচী বলছেন, “পুজোয় অধিকাংশ মানুষ যখন পরিবার নিয়ে আনন্দ করেন, ভালমন্দ খান, তখন অনেক অভাবী মানুষ সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকেন। তাঁদেরও বাঙালির সেরা উৎসবে আনন্দের অংশীদার করতেই এই উদ্যোগ নিচ্ছি।” তবে শুধু পুজোর চারদিন নয়, সারা বছরই বারাকপুরে দু-তিনটি জায়গায়। ‘এমএলএ ক্যান্টিন’ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কৌস্তভ।

কৌস্তভের এহেন বড় উদ্যোগের নেপথ্যে ‘বঙ্গস্পন্দন ফাউন্ডেশন’ নামে এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সম্পূর্ণ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। বারাকপুরের কোথায় কোথায় ‘পুজো স্পেশাল এমএলও ক্যান্টিন’ বসবে, সেই তালিকা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে সামাজিক মাধ্যম, প্রচারপত্র-সহ বিভিন্ন মাধ্যমে আগে থেকেই জানিয়ে দেওয়া হবে। ফলে পুজোর আগেই মানুষজন ক্যান্টিনগুলির ঠিকানা জানতে পারবেন।

Advertisement

কিন্তু কেন হঠাৎ এই ক্যান্টিনের পরিকল্পনা? এনিয়ে কৌস্তভ বাগচী (Koustav Bagchi) বলছেন, “পুজোয় অধিকাংশ মানুষ যখন পরিবার নিয়ে আনন্দ করেন, ভালমন্দ খান, তখন অনেক অভাবী মানুষ সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত থাকেন। তাঁদেরও বাঙালির সেরা উৎসবে আনন্দের অংশীদার করতেই এই উদ্যোগ নিচ্ছি।” তবে শুধু পুজোর চারদিন নয়, সারা বছরই বারাকপুরে দু-তিনটি জায়গায়। ‘এমএলএ ক্যান্টিন’ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কৌস্তভ।

Advertisement

উল্লেখ্য, রাজ্যজুড়ে ফুটপাথবাসী ও দারিদ্র্যসীমার নিচে থাকা মানুষজনের জন্য বিনামূল্যে ‘মা আহার’ প্রকল্প রয়েছে। যদিও তা নতুন সরকারের চালু করা নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীনই ‘মা ক্যান্টিন’ নামে তা চালু করেছিলেন। মাত্র ৫ টাকায় দুপুরের খাবার পাওয়া যেত। পরবর্তীতে তার নাম বদলে মেনুও পালটে দেওয়া হয়। এখন ‘মা আহারে’ সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে ডিম-ভাত, মাছ-ভাত পাওয়া যায়। তারই অনুপ্রেরণায় বারাকপুরের বিধায়কের এই উদ্যোগ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.