নন্দন দত্ত: পারিবারিক সম্পত্তির ভাগ নিয়ে বচসা। তার জেরেই ছোটভাইকে খুন করার অভিযোগ উঠল দাদার বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে বীরভূমের মুরারই থানার দরগাতলা এলাকায়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত।
নিহতের নাম আবসার আলি। বয়স ২২। পরিবারের সদস্যের অভিযোগ, রাতে ঘুমন্ত অবস্থাতেই ভাইকে গলা কেটে খুন করে হানি আব্বাস আলি। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত। পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার রাত একটা নাগাদ হানি আব্বাস আলি ধারাল অস্ত্র দিয়ে ভাই আবসার আলির গলা কেটে দিয়ে খুন করে। তারপরই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়।
[আরও পড়ুন: নিম্নমুখী দেশের কোভিড গ্রাফ, সংক্রমণ কমলেও চিন্তায় রাখছে মৃত্যুর হার]
খবর জানাজানি হতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন ধরেই পরিবারে জমি বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে বিবাদ চলছিল। অভিযুক্ত আব্বাস আলি তার বাবাকে জমি বিক্রি করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু পরিবারের কেউ জমি বিক্রি করার পক্ষে ছিলেন না। এদিন রাত্রে জমি বিক্রি নিয়ে পরিবারে সদস্যদের মধ্যে একটি আলোচনাও হয়। সে সময় দুই ভাইয়ের মধ্যে বচসা হয়। তারপরই ঘুমন্ত অবস্থায় আব্বাস তার ছোট ভাই আবসারকে গলা কেটে খুন করে।
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে বড় ছেলের নামে পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন শেরবান শেখ। ইতিমধ্যেই পলাতক অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং আব্বাসের বন্ধুদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। আবসারের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তা শেষ হলেই দেহটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। গোটা এলাকায় শোকের আবহ। শোকে বিহ্বল আবসারের গোটা পরিবার। বড় ছেলের উপযুক্ত শাস্তির আরজি জানিয়েছেন শেরবান শেখ।
[আরও পড়ুন: দ্বিখণ্ডিত ইউক্রেন, বিদ্রোহীদের দখলে থাকা ডোনেৎস্ক-লুহানস্ককে স্বাধীন ঘোষণা রাশিয়ার]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে