Biswa Bharati University

এবার বিশ্বভারতীতেও ‘ককরোচ’দের তাণ্ডব! দুর্নীতির পোস্টারে ছেয়ে গেল ক্যাম্পাস চত্বর

বিনয়ভবন ও সঙ্গীতভবনেও নিয়মবহির্ভূত নিয়োগের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই পোস্টারগুলিতে।

দেব গোস্বামী
দেব গোস্বামী

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ২০:৩২

options
link
এবার বিশ্বভারতীতেও ‘ককরোচ’দের তাণ্ডব! দুর্নীতির পোস্টারে ছেয়ে গেল ক্যাম্পাস চত্বর
বিশ্বভারতীর ক্যাম্পাস জুড়ে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে পোস্টার।

নিয়োগে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও নিয়মবহির্ভূত সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে গোটা বিশ্বভারতী চত্বর ছেয়ে গেল পোস্টারে। বৃহস্পতিবার, সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও শান্তিনিকেতন চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র নামে লাগানো একাধিক পোস্টারে সংরক্ষিত সহকারী কর্মসচিব থেকে বাংলা, ইংরেজি ও হিন্দি বিভাগে সহযোগী এবং সহকারে অধ্যাপক নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিনয়ভবন ও সঙ্গীতভবনেও নিয়মবহির্ভূত নিয়োগের চেষ্টা চলছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই পোস্টারগুলিতে। পাশাপাশি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপোষণ, অস্বচ্ছতা এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ তুলে উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।

Advertisement

পোস্টার ঘিরে আরও বিস্ফোরক দাবি, বিশ্বভারতীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুধু স্বজনপোষণ বা অস্বচ্ছতাই নয়, আর্থিক লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে। যদিও পোস্টারকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে।

পোস্টার ঘিরে আরও বিস্ফোরক দাবি, বিশ্বভারতীর নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শুধু স্বজনপোষণ বা অস্বচ্ছতাই নয়, আর্থিক লেনদেনেরও অভিযোগ রয়েছে। যদিও পোস্টারকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। কে বা কারা এই অভিযোগগুলি প্রকাশ্যে আনল, এবং অভিযোগগুলির ভিত্তি কী? এ প্রসঙ্গে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, “নামহীন পোস্টার নিয়ে কোনও মন্তব্য নয়। এতে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষও বিচলিত নয়।” তবে অভিযোগের তীব্রতা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আধিকারিকের দাবি, “নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে একের পর এক অভিযোগ বিভিন্ন মহলে জমা পড়ছে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বিভিন্ন কমিশনের কাছেও অভিযোগ পৌঁছেছে।

Advertisement

বিশ্বভারতী চত্বর ছেয়ে গেছে এই পোস্টারে।

Advertisement

তবে বিশ্বভারতীর মতো ঐতিহ্যবাহী ও বিশ্ব হেরিটেজ মর্যাদাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিয়োগ নিয়ে বারবার প্রশ্ন ওঠা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।”শুধু শিক্ষক বা আধিকারিক নিয়োগ নয়, গবেষণা, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কর্মরত কর্মী এবং উপাচার্য-ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিভিন্ন ব্যক্তি নিয়েও পোস্টারে একাধিক অভিযোগ ও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ‘শিক্ষা বাঁচাও, দুর্নীতি হঠাও, বিশ্বভারতী বাঁচাও’—এই স্লোগানকে সামনে রেখেই আরও নিয়োগ-অনিয়মের ‘পর্দাফাঁস’ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে পোস্টারে। তবে বিশ্বভারতীর নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ফের প্রকাশ্যে আসা বিস্ফোরক অভিযোগ শান্তিনিকেতন জুড়েই কার্যত নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা ও বিতর্ক।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.