High Court

বীরভূম মহাশশ্মানে গেস্ট হাউস! হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণ অভিযোগ বিজেপির

বীরভূম জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তারাপীঠ মহাশ্মশান চত্বরে কলকাতা হাই কোর্ট নির্মাণে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। তারপরও গেস্ট হাউস নির্মাণ করে অবৈধ ভাবে ব্যবসা চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ।

বিপিন পাল
বিপিন পাল

শেষ আপডেট: জুন ২২, ২০২৬, ১৯:৩১

options
link
বীরভূম মহাশশ্মানে গেস্ট হাউস! হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণ অভিযোগ বিজেপির
এই গেস্ট হাউস ঘিরে বিতর্ক। নিজস্ব চিত্র।

বীরভূম মহাশশ্মানে গেস্ট হাউস! কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে নির্মাণ। ভাড়া দেওয়ার পাশাপাশি গেস্ট হাউসে অসামাজিক কাজ হত বলে অভিযোগ। মহাশ্মশান চত্বরে পিএইচই জল ট্যাংকের পাশের এলাকায় অবৈধভাবে গেস্ট হাউস চালানোর অভিযোগ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের নেতাদের মদতে এই কাজ করা হত বলে অভিযোগ। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই বিষয়টি সামনে আসতেই ওই গেস্ট হাউস থেকে সমস্ত জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মৌখিকভাবে অভিযোগ জানানো হলেও তবে এখনও থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে।

Advertisement

বীরভূম জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তারাপীঠ মহাশ্মশান চত্বরে কলকাতা হাই কোর্ট নির্মাণে স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। তারপরও গেস্ট হাউস নির্মাণ করে অবৈধ ভাবে ব্যবসা চালানো হয়। এই হোটেলটিতে বেআইনি ও অসামাজিক কার্যকলাপ চলত বলেও অভিযোগ উঠেছে। যদিও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Advertisement

বিজেপির নেতা নিখিল বন্দ্যোওপাধ্যায় বলেন, “তারাপীঠ মহাশ্মশানে বেআইনি কাজ নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চলছে। হাই কোর্টে মামলাও করা হয়েছিল। সেখানে কোনও নির্মাণ করা যাবে না নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। কিন্তু তা অমান্য করে গেস্ট হাউস করা হয়। আমরা জেলাশাসকের কাছে মৌখিক অভিযোগ জানিয়েছিলাম। তারপরই ওই আবাসন গেস্ট ছিল না তা প্রমাণ করতে, এসি, আসবাবপত্র সব সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। আমরা চাই প্রশাসন তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক।” স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, “প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম ওখানে জল ট্যাংকের কোনও অফিস করা হয়েছে। পরে দেখি তা ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। অসামাজিক কাজকর্মও চলত। প্রতিবাদ করলে হুমকিও দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.