BLO

হাতে সময় কম বলে চিন্তা! বৈঠক থেকে ফিরেই হৃদরোগে আক্রান্ত জয়নগরের বিএলও

জয়নগরের হরিনারায়নপুর ৩১ নম্বর বুথের বিএলও হিসাবে কর্মরত ছিলেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২৫, ২১:৪৫

options
link
হাতে সময় কম বলে চিন্তা! বৈঠক থেকে ফিরেই হৃদরোগে আক্রান্ত জয়নগরের বিএলও
ফাইল ছবি

দেবব্রত মণ্ডল, ক্যানিং: এসআইআর সংক্রান্ত কাজের চাপ! হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে বিএলও। তাঁর নাম কমল নস্কর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি জয়নগরের হরিনারায়নপুর ৩১ নম্বর বুথের বিএলও হিসাবে কর্মরত ছিলেন। পরিবারের দাবি, অত্যাধিক কাজের চাপে একেবারে নাজেহাল হয়ে উঠেছিলেন। এর মধ্যেই আজ শনিবার বিকেলে একটি বৈঠক হয়। যেখানে ২৬ তারিখের মধ্যে সমস্ত ফর্ম সংগ্রহ করে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই বৈঠক থেকে ফেরার পরেই কমলবাবু অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে দাবি পরিবারের। 

Advertisement

জানা গিয়েছে, কমল নস্কর দুয়ের পল্লী অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়েরপ্রধান শিক্ষক। এখনও পর্যন্ত ১১৬০টি এআইআর ফর্ম ভোটারদের বাড়ি বাড়ি নিজে পৌঁছে দিয়েছে। বর্তমানে ফর্ম সংগ্রহের কাজ করছেন। সব মিলিয়ে এখনও মাত্র ২০ টি ফর্ম সংগ্রহ হয়েছে। এর মধ্যেই আজ শনিবার বিকেলে জয়নগর ১ নম্বর ব্লকের ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সমস্ত বিএলওদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। যেখানে স্পশট নির্দেশ দেওয়া হয় যে আগামী ২৬ তারিখের মধ্যে সমস্ত এনুমারেশন ফর্ম সংগ্রহের কাজ সেরে ফেলতে হবে। এই অল্প সময়ের মধ্যে এত ফর্ম কীভাবে সংগ্রহ সম্ভব? সেই চিন্তাতেই কমল নস্কর বাড়িতেই অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে জানায় তাঁর পরিবার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে ছুটে যান জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস। এত কম সময়ে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, ”এত অল্প সময়ের মধ্যে বাংলায় এসআইআর শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রবল কাজের চাপে নাজেহাল অবস্থা বিএলওদের।” বিধায়কের কথায়, ”বহু বিএলও চাপ না নিতে পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। এর জন্য সম্পূর্ণ দায়ী নির্বাচন কমিশন।” অন্যদিকে কমলবাবুর শারীরিক অবস্থার কথা শুনেই হাসপাতালে যান ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, এসআইআরের কাজ নিয়ে জটিলতা বাড়ছে দিনের পর দিন। নির্ধারিত সময়ের আগেই কাজ শেষের জন্য কার্যত চাপ দেওয়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। অথচ পরিকাঠামোয় হাজারও ত্রুটি। ফলে খুব দ্রুত কাজ মুশকিল। আর এই পাহাড়প্রমাণ চাপের কাছে হার মেনে কোনও কোনও বিএলও নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার পথে হেঁটেছেন। এমনকী সুইসাইড নোটে তা উল্লেখ রয়েছে। একের পর এক ঘটনায় আজ শনিবার সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একযোগে নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্র সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন