Amartya Sen

‘প্রতীচী’র জমি জটিলতা মিটতেই বিশ্বভারতীর সঙ্গে তিক্ততার অবসান অমর্ত্যর

অমর্ত্য সেন ভিডিও বার্তায় শান্তিনিকেতনের স্মৃতিচারণ করেন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৪, ১৪:৫৩

options
link
‘প্রতীচী’র জমি জটিলতা মিটতেই বিশ্বভারতীর সঙ্গে তিক্ততার অবসান অমর্ত্যর
ফাইল ছবি

দেব গোস্বামী, বোলপুর: বিশ্বভারতী তাঁকে উৎখাতের ডাক দিয়েছিল। তাঁর বাড়ি ‘প্রতীচী’র জমি জটিলতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে দূরত্বও তৈরি হয়। বীরভূমের সিউড়ি জেলা আদালত নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের উচ্ছেদ নোটিস খারিজও করে। এর পরই জমি বিতর্ক ইতি টানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। গত কয়েক বছরের তিক্ততার অবসান। বিবাদ মিটল অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিশ্বভারতীর। বুধবার, ‘নব্য উদারনীতির অধীনে কর্মসংস্থান এবং দারিদ্র’ শীর্ষক আলোচনায় বিদেশ থেকে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন অমর্ত্য সেন। এদিন বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে অর্থনীতি ও রাজনীতি বিভাগের আয়োজিত অশোক রুদ্র স্মারক বক্তৃতায় সশরীর অংশগ্রহণ করেন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক প্রভাত পট্টনায়ক।

Advertisement

অমর্ত্য সেন ভিডিও বার্তায় শান্তিনিকেতনের স্মৃতিচারণ করে তিনি জানান, ‘‘শান্তিনিকেতনে প্রভাত পট্টনায়ক গিয়েছেন। তাঁকে আশ্রমিক হিসাবে স্বাগত জানাচ্ছি। প্রভাতকে ছাত্র হিসাবে পেয়ে আমি সৌভাগ্যবান। শান্তিনিকেতনে সেই ৯০ বছর আগে জন্মেছি। বিশ্বভারতীর সঙ্গেও দীর্ঘদিনের পারিবারিক সুসম্পর্ক। অর্থনীতির উপর এই ধরনের আলোচনা খুবই আবশ্যক। প্রধান অতিথি হিসাবে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো ও ভার্চুয়ালি বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বিশ্বভারতীকে ধন্যবাদ।’’ বিশ্বভারতীর আমন্ত্রণে বহুকাল পর সাড়া দিলেন তিনি। আর এমন বার্তার পরেই আপ্লুত বিশ্বভারতীর অধ্যাপক, কর্মী ও পড়ুয়ারা। লোকসভা নির্বাচনের আবহে অর্থনীতিবিদ প্রভাত পট্টনায়কের বক্তব্যে উঠে আসে দেশের কৃষিক্ষেত্রে জিডিপি, কর্মসংস্থানের অভাব, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার খাতে বেসরকারিকরণ বৃদ্ধি, ন্যূনতম রোজগার, অর্থনৈতিক মৌলিক অধিকারের মতো বিষয়গুলি৷

Advertisement

[আরও পড়ুন: কমিশনের মাথাব্যথা কোচবিহার, শুধু নিশীথ গড়েই বরাদ্দ ১১২ কোম্পানি আধাসেনা!]

তিনি বলেন, ‘‘আমাদের দেশে কর্মসংস্থানের অভাব ও দারিদ্রের পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ। আর এই বেসরকারিকরণ খুব ক্ষতিকর। মানুষের ন্যূনতম রোজগারে নজর দিতে হবে। এর জন্য চাই মৌলিক অর্থনৈতিক অধিকার।’’ এই আলোচনা সভায় কেন্দ্রীয় সরকারের বেশ কিছু নীতিগত ত্রুটির কথাও উঠে আসে।

Advertisement

অর্থনীতিবিদ পট্টনায়েক ২০২০ সালের গোড়ার দিকে একই বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তৎকালীন উপাচার্য, বিদ্যুৎ চক্রবর্তী স্মারক বক্তৃতা কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে অতিথিদের আমন্ত্রণ জানিয়েও বন্ধ করে দেন। এই পদক্ষেপে ক্ষুব্ধ হন সকলে। গত চার বছর অপেক্ষার পর স্মারক বক্তৃতার আয়োজন করতে পেরে খুশি বিশ্বভারতীর অর্থনীতি ও রাজনীতি বিভাগ। বিভাগীয় প্রধান সৌম্য চক্রবর্তী বলেন, ‘‘অমর্ত্য সেনকে বিশেষ অতিথি হিসাবে পেয়ে আমরা আনন্দিত।’’

[আরও পড়ুন: ধোনির নাম ব্যবহার করে চলছে ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, বড়সড় প্রতারণার শিকার ক্যাপ্টেন কুল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.