জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: বাবার মৃত্যুর খবর পৌঁছেছিল এপার থেকে ওপার বাংলায়। কিন্তু পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে (India) আসতে পারেননি বাংলাদেশের (Bangladesh) বাসিন্দা মেয়ে। বিজিবি-বিএসএফের কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়৷ শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি৷
বিএসএফ (BSF) সূত্রে জানা গিয়েছে, বনগাঁ সীমান্তের বাগদার হরিহরপুর গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত মণ্ডলের বয়সজনিত অসুস্থতায় বৃহস্পতিবার মৃত্যু হয়৷ লিয়াকতের মেয়ে থাকেন সীমান্তের ওপারে, বাংলাদেশে৷ বাবা ভারতীয় নাগরিক। মেয়ে বাংলাদেশি৷ বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ (Deadbody) শেষবার দেখার৷ কিন্তু দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা নিয়ে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না৷ হরিহরপুর গ্রামের এক পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়৷
[আরও পড়ুন: ২০২৪-এ ফের ‘হিন্দু হৃদয় সম্রাট’ হবেন মোদি, খোঁচা শশী থারুরের]
এর পরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়৷ বিজেপির মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে (Zero Point) আনার কথা বলা হয়। শুক্রবার সকালে সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়৷ ওপার থেকে মেয়েও আসেন৷ বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে। তাঁর কথায়, ”বিএসএফের জন্যই বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলাম৷ বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ৷”
[আরও পড়ুন: স্বাধীনতার জন্য ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়েছে ইংরেজরাই, নাগপুরের সভায় একী বললেন রাহুল!]
সর্বশেষ খবর
-
‘কলকাতা দেখব মামা’, আবদার করেই তারাতলার বহুতলের ছাদে, আর ফেরা হল না মামা-ভাগ্নের
-
লাইভ সার্জারি থেকে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ, ডিসানে হিস্টেরোস্কোপির মাস্টারক্লাস
-
অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিতের ‘বন্ধু’কে আটক করল পুলিশ, কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা
-
কেতন হত্যাকাণ্ডে মা-বাবাকে দোষারোপ! পুণের হাড়হিম কাণ্ডে সমাজের সম্মুখে আয়না ধরলেন কঙ্গনা
-
ফুটবলের পর এবার ক্রিকেটেও মালিকানা, নতুন দল কিনলেন জন আব্রাহাম, সঙ্গী জন্টি রোডস