তৃণমূলের হাতছাড়া হল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদ। রাজ্যে পালাবদলের পরেই তৃণমূলে শুরু হয়েছে ডামাডোল। হাতছাড়া হয়েছে একের পর এক পুরসভা। এবার শুভেন্দু অধিকারীর জেলাতে বড় ধাক্কা তৃণমূলের। পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের নতুন সভাধিপতি হলেন বামদেব গুছাইত। তাৎপর্যপূর্ণভাবে পরিবর্তনের বাংলায় এই প্রথম বার কোনও জেলা পরিষদে বোর্ড গঠন করল বিজেপি। তাও আবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর জেলায়। এরপরেই বামদেবকে সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে তিনি লিখছেন, ‘অত্যন্ত আনন্দের বিষয়, ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার কোনো জেলা পরিষদের বোর্ড গঠন করেছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদ আজ থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির সদস্যদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।’
আরও পড়ুন:
জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা মোট ৭০। বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১৪ এবং তৃণমূলের সদস্য ছিলেন ৫৬। এর মধ্যে যদিও দুই সদস্যের মৃত্যু হয়। পদত্যাগ করে উত্তম বারিক এবং সুহাসিনী কর। বাকি থাকা ৬৪ জন সদস্যই এদিন উপস্থিত ছিলেন সভায়।
উত্তম বারিক বেশ কিছুদিন জেলা পরিষদের সভাধিপতি পদ থেকে ইস্তফা দেন। এবারের নির্বাচনে তিনি চণ্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছিলেন। যদিও এর আগে পটাশপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করেছিলেন। জয় পেয়েছিলেন। কিন্তু এবার জায়গা বদল হয় উত্তম বারিকের। গেরুয়া ঝড়ে একেবারে মুখ থুবড়ে পড়েন তিনি। এরপরেই জেলা পরিষদের সভাধিপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন প্রাক্তন এই বিধায়ক। তাঁর সঙ্গেই জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি থেকে ইস্তফা দেন সুহাসিনী কর। এহেন পরিস্থিতিতে জেলা পরিস্থিতিতে দেখা দেয় জটিলতা।
এহেন পরিস্থিতিতে আজ, সোমবার সাধারণসভা ডাকা হয়। যেখানে সবার উপস্থিতিতে নয়া সভাধিপতি হিসাবে বামদেব গুছাইত এবং সহকারী সভাধিপতি হিসাবে জয়দেব মিদ্যা নির্বাচিত হন। উল্লেখ্য, জেলা পরিষদের আসন সংখ্যা মোট ৭০। বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল মাত্র ১৪ এবং তৃণমূলের সদস্য ছিলেন ৫৬। এর মধ্যে যদিও দুই সদস্যের মৃত্যু হয়। পদত্যাগ করে উত্তম বারিক এবং সুহাসিনী কর। বাকি থাকা ৬৪ জন সদস্যই এদিন উপস্থিত ছিলেন সভায়।
এরপরেই সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী লেখেন, ‘সকল সম্মানিত সদস্য ও সদস্যাগণ সর্বসম্মতিক্রমে শ্রী বামদেব গুছাইতকে সভাধিপতি এবং শ্রীমতী বাঁসুরি পণ্ডিত কে সহকারী সভাধিপতি হিসেবে নির্বাচিত করেছেন। নবনির্বাচিত উভয়কেই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গৈরিক অভিনন্দন জানাই।’ তিনি আরও লিখছেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের দক্ষ নেতৃত্ব, জনসেবার প্রতি অঙ্গীকার এবং উন্নয়নমুখী দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে পূর্ব মেদিনীপুরের সার্বিক অগ্রগতি আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে। জনতার আশীর্বাদে উন্নয়নের এই যাত্রা আরও শক্তিশালী হোক।’
সর্বশেষ খবর
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই রাজ্যে কিংবদন্তি কাফু, দার্জিলিং ও কলকাতায় একাধিক কর্মসূচি
-
আর ট্রেন লেট নয়, পুরুলিয়ার আদ্রা-জয়চণ্ডীপাহাড় বাইপাস রেলপথে ২৭২ কোটি খরচে কাজ
-
মাঝআকাশে অসুস্থ পাইলট, ‘মে ডে কল’ দোহা-বেঙ্গালুরু ইন্ডিগোর উড়ানের, তারপর…
-
কলমের আঁচড়ে রাষ্ট্রদ্রোহ! টোটা-সৃজিতের ‘এম্পারর ভার্সেস শরৎচন্দ্র’র ঝলকে অগ্নিযুগের বিপ্লবী মিমি-আবির
-
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছে কালীঘাট তৃণমূলের, পাঠানো হল চিঠি