Suvendu Adhikari

‘গীতার বাণী গ্রহণ করে বাংলার গৌরব ফেরানোই প্রার্থনা,’ মায়াপুরে ইসকনে আবেগাপ্লুত শুভেন্দু

রাধামাধব ও প্রভুপাদর দর্শন করে পুজো সারেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো ও আরতির পর সাষ্টাঙ্গে প্রণামও করেন শুভেন্দু।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ১৪:২৬

options
link
‘গীতার বাণী গ্রহণ করে বাংলার গৌরব ফেরানোই প্রার্থনা,’ মায়াপুরে ইসকনে আবেগাপ্লুত শুভেন্দু
মায়াপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিজস্ব ছবি।

গীতার বাণী গ্রহণ করে মানুষের কল্যাণের জন্য কাজ করতে চান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলার গৌরব ফেরাতে মায়াপুরের চন্দ্রোদয় মন্দিরে এই প্রার্থনাই করলেন তিনি। মুখ্য়মন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুরে এলেন শুভেন্দু। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর ইসকনে আসার ইচ্ছা ছিল। সেই মতো বৃহস্পতিবার তিনি মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে এসে প্রথমে গোশালায় পুজো করেন। এরপর গো-সেবার পর চন্দ্রোদয় মন্দিরে আসেন তিনি। সেখানে রাধামাধব ও প্রভুপাদর দর্শন করে পুজো সারেন মুখ্যমন্ত্রী। পুজো ও আরতির পর সাষ্টাঙ্গে প্রণামও করেন শুভেন্দু।

Advertisement

পুজো শেষে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর কালীঘাট, বেলুড় মঠ, জৈন মন্দির, লক্ষ্মী নারায়রণ মন্দিরে গিয়েছি। ইসকনে এসে রাধামাধবের দর্শন, গোমাতার সেবা, চৈতন্যদেবকে স্মরণ, কীর্তন-ভজন শোনার ইচ্ছা ছিল। গীতার বাণীকে গ্রহণ করে আগামী দিনে মানুষের কল্যাণে যাতে আমরা কাজ করতে পারি, পশ্চিমবঙ্গে যাতে আগের মতো হৃত গৌরব ফিরতে পারে সেই প্রার্থণা নিয়ে এসেছিলাম।” তিনি আরও বলেন, “আমার অন্তর এখানে আছে। আমি এখানে হৃদয়ের সঙ্গে এসেছিল। আমি একজন সনাতনী, ইসকনের ভক্ত। ইসকনের সন্ন্যাসীরা নিঃস্বার্থভাবে গীতার প্রসার ও প্রচার করেন। অপমান, লাঞ্ছনার পরেও তাঁরা থেমে থাকেন না।” মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, দোলপূর্ণিমা, জন্মাষ্ঠমী ও জগন্নাথদেবের রথযাত্রার সময় অর্থাৎ বছরে তিনবার তিনি রাধামাধবের অভিষেক করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ইসকনের মন্দিরে বিশেষ যজ্ঞানুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। এরপর ইসকনের গোশালায় বিশেষ পুজোয় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। ইসকনের সন্ন্যাসীদের উপস্থিতিতে তিনি গো-সেবা করেন। জল দিয়ে গোমাতার পা ধুয়ে দেন তিনি। গোমাতাকে খাবারও খাওয়ান। গোশালা থেকে ইসকনের চন্দ্রোদয় মন্দিরে যান শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রাধাকৃষ্ণের মন্দিরে পুজো ও আরতি করেন। এরপর বিগ্রহকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। মন্দিরেই ভক্তদের মাঝে মিশে গিয়ে তাঁদের জড়িয়ে ধরেন শুভেন্দু। করেন শুভেচ্ছা বিনিময়ও। এরপর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদের মন্দিরেও পুজো করেন তিনি। সেখানেও প্রভুপাদর বিগ্রহের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করেন শুভেন্দু।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন