পালাবদলের পর রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থায় শুরু হয়েছে ‘ডামাডোল’। একের পর এক পঞ্চায়েত প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, জেলা পরিষদের সভাধিপতিদের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনছেন সদস্যরা। কোথাও তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড দখল করছে বিজেপি। আবার কোথায় কংগ্রেস ও সিপিআইএম জোট করে বোর্ড দখল করছে। অনেক জায়গায় বোর্ড ভেঙে বসছে প্রশাসক। এই পরিস্থিতিতে বোর্ড ‘দখল’ নিয়ে দলের সদস্যদের কড়া নির্দেশ দিল সিপিআইএম নেতৃত্ব। তৃণমূল ও বিজেপির সদস্যদের সঙ্গে জোট করে কোনও বোর্ড দখল করা যাবে না। তবে আপত্তি নেই কংগ্রেস, আইএসএফ বা অন্য কোনও বামপন্থী দলের ক্ষেত্রে।
আরও পড়ুন:
বুধবার সিপিআইএমের (CPIM) সম্পাদক মণ্ডলীর বৈঠক ছিল। সেখানেই পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ দখল নিয়ে কড়া বার্তা দিল নেতৃত্ব। জানানো হয়েছে, তৃণমূল বা বিজেপির সঙ্গে মিলে বোর্ড দখল করলে সিপিএমের সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে দল। এমনকী সাসপেন্ড পর্যন্ত করা হতে পারে। এই নিয়ে জেলা কমিটিকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে সিপিআইএম।
উল্লেখ্য, ডোমকল পঞ্চায়েত সমিতিতে তৃণমূল পরিচালিত বোর্ড ছিল। সম্প্রতি কংগ্রস ও সিপিআইএম সদস্যরা মিলে সভাপতির বিরুদ্ধে অনাস্থা আনেন। ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেন তাঁরা। এই ঘটনায় কোনও আপত্তি নেই দলের। কিন্তু অন্য কোনও ক্ষেত্রে তৃণমূল বা বিজেপি সদস্যদের সঙ্গে জোট করে পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি বা জেলা পরিষদ দখল করা যাবে না বলে এদিন জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চায়েত দখল প্রসঙ্গে সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী জানান, “তৃণমূল যেভাবে ভোট করেছিল তা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হয়নি। জোর করে জেতা প্রার্থীকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলে সরকার বদলের পর কার্যত গুরুত্বহীন হয়ে গিয়েছে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত। আমাদের অবস্থান হল, আমরা এই ডামাডোলের মধ্যে ঢুকব না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভূরি ভূরি সুযোগ নষ্টের ম্যাচে টাইব্রেকারে জয়, ডুরান্ড ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল
-
পাঞ্জাবেই সংখ্যালঘু হওয়ার পথে শিখেরা! ‘বেশি করে সন্তান নিন’, বলছে উদ্বিগ্ন অকাল তখত
-
কোর্টের নির্দেশে ‘অস্থায়ী’, বিরোধী দলনেতা হিসাবে সেই ঋতব্রতর নাম উঠল বিধানসভার বোর্ডে
-
পুকুরে অন্নপূর্ণার ফর্ম! টাকা না পেয়ে পঞ্চায়েত অফিসে তালা ঝোলালেন মহিলারা
-
রোজ মিষ্টি খাচ্ছেন! অজান্তে বাড়ছে টাক পড়ার আশঙ্কা, কী বলছেন চিকিৎসকরা?