ভোটার তালিকার ‘ভূত তাড়াতে’ জেলাশাসকরাই ওঝা! বৈঠকে কড়া নির্দেশ মুখ্যসচিবের

মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, অনলাইন ভোটার তালিকার নামে কারসাজি করা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৫, ২১:১৬

options
link
ভোটার তালিকার ‘ভূত তাড়াতে’ জেলাশাসকরাই ওঝা! বৈঠকে কড়া নির্দেশ মুখ্যসচিবের
প্রতীকী ছবি

নব্যেন্দু হাজরা: ভোটার তালিকায় ভুয়ো বা ‘ভূতুড়ে’ ব‌্যাপার ঠেকাতে জেলা প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ। ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হল জেলাশাসকদের। শনিবার নবান্ন থেকে সমস্ত জেলাশাসকদের সঙ্গে ভারচুয়ালি বৈঠক করেন মুখ‌্যসচিব। ছিলেন একাধিক দপ্তরের সচিবরাও।

Advertisement

সেখানেই জানানো হয়, কোনওভাবেই ভুয়ো ভোটার কার্ড তৈরি হতে দেওয়া যাবে না। আবেদন জমা পড়ার পর যথাযথ যাচাই করতে হবে। কোনও নির্দিষ্ট এলাকায় যদি অস্বাভাবিক সংখ্যক ভোটার কার্ডের আবেদন জমা পড়ে, তবে সেখানে আরও কড়া নজরদারি চালাতে হবে। কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে ফিল্ডে নেমে আধিকারিকদের আবেদনপত্র যাচাইয়ের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নদিয়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা–সহ একাধিক জেলায় ইতিমধ্যেই ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের অস্তিত্ব মিলেছে বলে অভিযোগ। মুখ্যসচিব এদিন স্পষ্ট করেছেন, যদি প্রশাসনের কেউ ভুয়ো ভোটার তালিকা তৈরির কাজে যুক্ত থাকেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এমনকি, প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থাও নেবে সরকার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ‌্য, দিনকয়েক আগেই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছিলেন, অনলাইন ভোটার তালিকার নামে কারসাজি করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে এই কাজ করা হচ্ছে এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে কাজে লাগানো হচ্ছে। মমতার দাবি ছিল, “একটি ‘ভুতুড়ে রাজনৈতিক দল’ বিহারের লোকেদের নাম অনলাইনে ভোটার তালিকায় ঢুকিয়ে দিচ্ছে।” তারপরই নবান্নের এই বৈঠক বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে প্রশাসনিক মহল। তবে ভোটার লিস্ট ছাড়াও এদিন একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

Advertisement

বিশেষত অবৈধ বালি পাচার রোধে ব‌্যবস্থা নিতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ‌্যসচিব। ৭০০ হেক্টর জমিতে বালি খাদানের জন‌্য নিলাম ডাকতে বলা হয়েছে। এদিকে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা একাধিক জেলা খরচ করতে পারেনি। সেই সমস্ত জেলাশাসকদের এবিষয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, মার্চ মাসের মধ্যে পড়ে থাকা অর্থ খরচ করতে। এছাড়াও ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে কিছু মানুষ জমি সংক্রান্ত বা অন‌্যান‌্য সমস‌্যার কারণে বাড়ির টাকা পাননি, সেই সমস‌্যার দ্রুত সমাধান করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি নবান্নের তরফে পরিকাঠামোর নজরদারিতে যে অ‌্যাপ চালু করা হয়েছে, তা পর্যালোচনা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন