কুয়াশায় বন্ধ ফেরি, আটকে পড়া যাত্রীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা প্রশাসনের

স্বস্তি যাত্রীদের, সকালে গন্তব্যের দিকে রওনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৭, ১৩:০৮

options
link
কুয়াশায় বন্ধ ফেরি, আটকে পড়া যাত্রীদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা প্রশাসনের

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: কেউ যাচ্ছিলেন জরুরি কাজে। কারও বাড়ি যাওয়ার তাড়া ছিল। কিন্তু ঘাটে এসে জানলেন পারাপার বন্ধ। ভিলেন কুয়াশা। তার জন্য নৌকায় কালনা-শান্তিপুর যাওয়া যাবে না। শীতের রাতে এ খবরে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার জোগাড় হয় দুপারের যাত্রীদের। এই সময় পাশে দাঁড়াল প্রশাসন। তাঁদের রাতে থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত হল। আটকে পড়া মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তায় রাখা হল মহিলা কনস্টেবলও।

Advertisement

[মহাপ্রভুর লীলাক্ষেত্রে অসংখ্য দেবালয়, ভক্তিভাবে ভরপুর দেনুড়]

Advertisement

গত কয়েকদিন ধরেই কুয়াশার দাপট চলছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায়। সন্ধ্যা থেকেই কুয়াশা নামছে। পরদিন তা প্রায় দিনভর থাকছে। কুয়াশার জন্য রাত থেকে প্রায় সকাল ১০টা পর্যন্ত দৃশ্যমান্যতা খুবই কম থাকছে। এই কারণে বুধবার রাতে ভাগীরথীতে কালনার ফেরি পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। ফেরি চালু রাখলে মাঝ নদীতে দুই জলযানের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে বিপদের সম্ভাবনা থাকতে পারে। এই আশঙ্কায় যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের তরফে ফেরি পারাপার বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু আচমকা এই সিদ্ধান্তে সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা। কালনা ও শান্তিপুরের ফেরিঘাটে কয়েকশো যাত্রী আটকে পড়েন।

Advertisement

BDN FERRY PASSENGER

[ভিলেন জোড়া ঘূর্ণাবর্ত, ডিসেম্বর শেষে ঘিরে ধরে কুয়াশা যখন]

কালনার মহকুমা শাসক নীতিন সিংহানিয়া জানান, নিরাপত্তার কথা ভেবে ফেরি বন্ধ রাখতে হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে যাত্রীদের বুঝিয়ে কালনায় থেকে যেতে অনুরোধ করা হয়। তাঁরা রাজি হন। যাত্রীরা যাতে রাতবিরেতে সমস্যায় না পড়েন তার জন্য থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কালনায় আটকে পড়েন প্রায় ২০০ যাত্রী। তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন মহিলা ও শিশুও ছিল। মহকুমাশাসক জানান, যাত্রীদের থাকার বিষয়ে কালনা পুরসভার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তারপর ওই যাত্রীদের পুরসভার পুরশ্রী সভাকক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি যাত্রীরা চিকিৎসার সুবিধাও পান। তাঁদের দেওয়া হয় লেপ-কম্বল, মোবাইল চার্জার। মহিলা ও একজন শিশুর জন্য আলাদা থাকার ব্যবস্থা করা হয়। মহকুমাশাসকের সংযোজন, “নদিয়ার রানাঘাটের মহকুমাশাসক ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে রাতে যোগাযোগ করি। ওপারে আটকে পড়া যাত্রীদের জন্যও একই রকম ব্যবস্থার জন্য অনুরোধ করেছিলাম।” জানা যায়, শান্তিপুরের দিকেও যাত্রীদের থাকা-খাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে ফেরি পরিষেবা শুরু হলে যাত্রীরা ফিরে যান বাড়ি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.