কথা দিয়ে কথা রাখার পালা এবার। আর প্রতিশ্রুতি পূরণে শুভেন্দু অধিকারী যথেষ্ট তৎপর। ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে কথা তিনি কথা দিয়েছিলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিতে বহু প্রতীক্ষীত নন্দীগ্রাম-হলদিয়া সংযোগকারী সেতু তৈরি হবে। শুভেন্দু এখান থেকে জেতার পর আসনটি ছাড়লেও তাঁর সেই প্রতিশ্রুতি পালনের জন্য দ্রুত কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন। রবিবার নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর প্রথম জনসভা। তার আগে শনিবার হলদি নদীর ধারে ব্রিজ নির্মাণের জন্য জায়গা পরিদর্শন করে এলেন হলদিয়ার মহকুমাশাসক ও অন্যান্য আধিকারিকরা।
আরও পড়ুন:
আসলে হলদিয়া আর নন্দীগ্রামের মধ্যে রয়েছে বিস্তৃত হলদি নদী। তার উপর একটি সেতুই পূর্ব মেদিনীপুরের দুই এলাকার মধ্যে যাতায়াতের সময় বাঁচাতে পারে অনেকটা। এতদিন তা তৈরি হয়নি। তবে ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রামের অন্যতম ইস্যু ছিল এই ব্রিজ। বাসিন্দাদের দাবি মেনে তৃণমূল এবং বিজেপি – দু’দলই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, নির্বাচনে জিতলে সবার আগে ওই সেতু তৈরির কাজ শুরু হবে।

আসলে হলদিয়া আর নন্দীগ্রামের মধ্যে রয়েছে বিস্তৃত হলদি নদী। তার উপর একটি সেতুই পূর্ব মেদিনীপুরের দুই এলাকার মধ্যে যাতায়াতের সময় বাঁচাতে পারে অনেকটা। এতদিন তা তৈরি হয়নি। তবে ছাব্বিশের ভোটে নন্দীগ্রামের অন্যতম ইস্যু ছিল এই ব্রিজ। বাসিন্দাদের দাবি মেনে তৃণমূল এবং বিজেপি – দু’দলই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, নির্বাচনে জিতলে সবার আগে ওই সেতু তৈরির কাজ শুরু হবে। এমনকী ভোটের আগে নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র করদের প্রচার করতে গিয়ে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ছিল, ‘‘কথা দিয়ে যাচ্ছে, আপনারা পবিত্রকে জেতালে সাত থেকে দশদিনের মধ্যে এখানে হলদি নদীর উপর সেতু তৈরির শিলান্যাস করে দেব।” সেই প্রতিশ্রুতি রাখার দায় আর নেই অভিষেকের। কারণ, তৃণমূল প্রার্থী এখানে গোহারা হেরেছে।
কিন্তু বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী এখান থেকে জেতার পর নিজের প্রতিশ্রুতি ভোলেননি। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রাম – জোড়া জয়ের পর নিয়ম মেনেই শুভেন্দুকে একটি আসন ছাড়তে হয়েছে। তিনি নিজের গড় নন্দীগ্রাম ছেড়েছেন। সেখানে উপনির্বাচন হবে। তবে তার আগে নিজের দেওয়া কথা অর্থাৎ হলদি নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নন্দীগ্রাম-হলদিয়া ব্রিজ। শনিবার সেই ব্রিজের জায়গা নিয়ে প্রাথমিক সমীক্ষা করল প্রশাসন। উপস্থিত ছিলেন হলদিয়ার মহকুমাশাসক, জেলার ইঞ্জিনিয়াররা, বিডিও, ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিকরা, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি-সহ কর্মাধক্ষ্যরা।

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর রবিবার বিকেলে প্রথম নন্দীগ্রামে জনসভা করবেন শুভেন্দু। সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। তার মঞ্চ প্রস্তুত। ফুলে ফুলে পদ্ম-আকারে সাজানো হয়েছে মঞ্চের অগ্রভাগ। এখানে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, তা শুনতে মুখিয়ে নন্দীগ্রামবাসী।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভাড়ার অ্যাকাউন্টে দেশজুড়ে সাইবার জালিয়াতি! পার্ক স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে ‘মিউল অ্যাকাউন্টের’ সন্ধান পেল পুলিশ
-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সসম্মানে ফিরলেন বঙ্গবন্ধু, হাদির নাম মুছে ফিরছে শেখ মুজিবুর রহমান হল
-
শ্রীঘরে দুই বেয়াই! দু’বছর আগে নাবালিকার বিয়ে, কোলে ৬ মাসের শিশু, খবর পেতেই ‘অ্যাকশন’ পুলিশের
-
‘হিরো, আপনিই বাঁচিয়েছেন’, ককপিটে সতীর্থের ছুরিতে রক্তাক্ত হয়েও কর্তব্যে অবিচল ভারতীয় পাইলট
-
বার্বিকিউ কাণ্ড থেকে শিক্ষা! দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কত হোমস্টে? রিপোর্ট চাইলেন মন্ত্রী